ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দুই লাখ টাকায় ১৩ মাসের সন্তান বিক্রির অভিযোগে শিশুটিকে উদ্ধারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোর পৌনে ৬টার দিকে ঢাকার দোহার থানার হরিচন্ডি চর মাহমুদপুর গ্রামের আবেদ মোল্লার বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় আবেদ মোল্লা (৩৫), তার স্ত্রী শিখা (৩৫), ঈশ্বরগঞ্জের মাইজহাটি সুতিভরাট গ্রামের উজ্জ্বল মিয়া (৫০), তার স্ত্রী আয়শা খাতুন (৪৫) এবং উচাখিলা গ্রামের শরীফা খাতুন (৩৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজিবপুর ইউনিয়নের মাইজহাটি সুতিভরাট গ্রামের উজ্জ্বল মিয়ার ছেলে নাঈম তার ১৩ মাসের ছেলে মোজাহিদকে দুই লাখ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেন। এ ঘটনায় ৩০ সেপ্টেম্বর সংবাদ প্রকাশের পর শিশুটির মা রোজিনা বেগম বিষয়টি জানতে পারেন।
রোজিনা বেগমের অভিযোগ, তার স্বামী নাঈম আবেদ মোল্লার কাছে শিশুটিকে বিক্রি করে দেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ঢাকা থেকে ঈশ্বরগঞ্জের মাইজহাটি সুতিভরাট গ্রামে আসেন তিনি।
পরে সন্তান বিক্রির বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন রোজিনা। এরপর পুলিশ তাকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়।
অভিযানের একপর্যায়ে মঙ্গলবার ভোরে দোহার থানার হরিচন্ডি চর মাহমুদপুর গ্রামের আবেদ মোল্লার বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ রোমন জানান, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে দায়ের করা মামলায় শিশুটিকে উদ্ধার এবং পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ময়মনসিংহের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জি বাংলা ডেস্ক