গাজীপুরের টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ওষুধ কারখানায় লাগা আগুন দুই ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট কাজ করছে। পাশাপাশি গাজীপুর সিটি করপোরেশন ও সেনাবাহিনীর দমকলকর্মীরাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছেন। এ ঘটনায় দুই শ্রমিক আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে টঙ্গীর বেক্সিমকো রোডে অবস্থিত কারখানাটির দ্বিতীয় ইউনিটের চারতলা ভবনের চতুর্থ তলায় আগুন লাগে। আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়লে কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। এ সময় হুড়োহুড়ি করে বের হতে গিয়ে দুজন আহত হন।
আহতদের মধ্যে কারখানার শ্রমিক সাদেক হোসেনের (৩৮) পরিচয় জানা গেছে। অপর আহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। সাদেককে টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকার ঢাকা ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানার চারতলা ভবনের চতুর্থ তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ওষুধ তৈরির কাঁচামালে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে প্রথমে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে ঢাকার উত্তরা ও কুর্মিটোলা এবং গাজীপুরের আরও ১৬টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।
এ ছাড়া গাজীপুর সিটি করপোরেশন ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দমকলকর্মীরাও পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছেন।
টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শাহীন আলম জানান, সকাল সোয়া ১০টার দিকে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কারখানার চারতলা ভবনের চতুর্থ তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। দ্রুত তা ওষুধ তৈরির কাঁচামালে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। পাশাপাশি গাজীপুর সিটি করপোরেশন ও সেনাবাহিনীর দমকলকর্মীরাও কাজ করছেন।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় দুজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।
জি বাংলা ডেস্ক