এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের পদকপ্রাপ্তি ও ব্যর্থতা নিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে যখন আলোচনা-সমালোচনা চলছে, তখন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) অভ্যন্তরে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। সংস্থাটির নির্বাহী কমিটি থেকে একের পর এক পদত্যাগের ঘটনা ঘটছে।
গত মঙ্গলবার তিনজনের পদত্যাগের পর বুধবার (১৪ অক্টোবর) আরও তিনজন পদত্যাগ করেছেন। ৩৭ সদস্যের নির্বাহী কমিটিতে এখন পর্যন্ত ছয়জন দায়িত্ব ছেড়েছেন। তবে পদত্যাগের এই ধারা এখানেই থামবে কি না, তা নিয়ে ক্রীড়াঙ্গনে আলোচনা চলছে।
বিওএর মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা জানিয়েছেন, হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং রোয়িং ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলমের পদত্যাগপত্র তাঁর হাতে পৌঁছেছে। এই দুই নির্বাহী সদস্যের পাশাপাশি বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুস খানও বিওএর উপমহাসচিবের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। পদত্যাগকারীরা ব্যক্তিগত কারণকে তাঁদের পদত্যাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বিওএর ৩৭ সদস্যের নির্বাহী কমিটিতে এখন পর্যন্ত পদত্যাগ করেছেন ছয়জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চারজন নির্বাহী সদস্য, একজন সহসভাপতি ও একজন উপমহাসচিব। ক্রীড়াঙ্গনে গুঞ্জন রয়েছে, বৃহস্পতিবার আরও কয়েকজন পদত্যাগ করতে পারেন।
তবে বিষয়টিকে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখছেন বিওএর মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা। তাঁর ভাষ্য, পদত্যাগ করা প্রত্যেকেরই এটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ও অধিকার। যাঁরা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, সেগুলো নির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হবে।
চলতি মাসেই বিওএর নির্বাহী কমিটির বৈঠক হতে পারে। ওই সভায় পদত্যাগসংক্রান্ত বিষয়সহ পরবর্তী পদক্ষেপ ও কার্যক্রম নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্পোর্টস ডেস্ক