ঢাকা , মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ , ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৈয়দপুর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, বাস থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীদের সেনাবাহিনীর এ্যাসল্ট কোর্স প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ৬৬ পদাতিক ডিভিশন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণ পেছানোর সিদ্ধান্ত চলতি মাসেই আসবে, আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের নিয়ে লাহোরের মাস্টারপ্ল্যান আ.লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা হবে: প্রধানমন্ত্রী সংবিধান সংশোধনীতে বিরোধী দল সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর ৭টি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী সরকারি পুকুরের মাছ বাড়ি নেওয়ার সময় খাদ্য কর্মকর্তা আটক বৈধ বিদেশি কর্মীর সংখ্যা জানাল মালয়েশিয়া চিকিৎসক সংকট নিরসন ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ চিফ হুইপের চাঁদপুরে ইলিশ বিক্রির নামে অনলাইন প্রতারণা​, গ্রেফতার ৩ অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান ধর্মীয় সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক ভোট ব্যাংক ধরা ঠিক নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সুবিচার সব ধর্মের মূল শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী পেট ভরে খেয়েও কমবে ওজন! মেদ ঝরাতে মেনে চলবেন যেসব নিয়ম ইউরোপের ৪ দেশের কোম্পানির সম্পদ নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে রাশিয়া

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে ‘ভুয়া কেনাকাটা’, ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ

  • আপলোড সময় : ২০-১০-২০২৬ ১১:০০:৩২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-১০-২০২৬ ১১:০০:৩২ পূর্বাহ্ন
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে ‘ভুয়া কেনাকাটা’, ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের আইটি বিভাগে ভুয়া কেনাকাটার মাধ্যমে ৬ কোটি ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামে এসব অর্থ সরানো হয়। ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে অনিয়মের তথ্য উঠে এলেও এখন পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

কাগজে-কলমে ২০২২ সালে আধুনিক প্রযুক্তির সফটওয়্যার ও ডেটাবেজ কেনা, ইনস্টলেশন, কনফিগারেশন এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়। বিলও পরিশোধ করা হয়। তবে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাস্তবে এসব পণ্য ও সেবার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

২০২৫ সালের মে মাসে তৈরি প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে প্রয়োজনীয় কারিগরি সক্ষমতা না থাকা প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া, টেন্ডারের শর্ত বাদ দিয়ে কার্যাদেশ দেওয়া এবং পণ্য বা সেবা সরবরাহের আগেই বিল পরিশোধের মতো অনিয়মের তথ্য উঠে আসে।

সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশসহ প্রতিবেদনটি বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো হয়। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে প্রতিবেদনটি এশিয়া পোস্টের হাতে পৌঁছায়।

ওরাকল ডেটাবেজ কেনায় অনিয়মের অভিযোগ

ঘটনার শুরু ওরাকল ডেটাবেজ ১৯সি কেনাকে কেন্দ্র করে। ১২টি সিপিইউ লাইসেন্সসহ ওরাকল ডেটাবেজ ১৯সি সংগ্রহ, ইনস্টলেশন ও কনফিগারেশনের জন্য ইআরএ ইনফো টেক লিমিটেডকে নির্বাচন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে কাজ দেওয়ার প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী লেনদেন নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদনে একাধিক অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে।

ব্যাংকের আইসিসি ডিভিশনের অডিট দল নিয়মিত নিরীক্ষার সময় দেখতে পায়, ১২টি সিপিইউ লাইসেন্স কেনা হলেও চারটি ডেটাবেজ সার্ভার তখনো ওরাকল ডেটাবেজ ১৯সি-তে স্থানান্তর করা হয়নি; সেগুলো আগের ১১জি সংস্করণেই চলছিল। এরপর ২০২৫ সালের ১২ মে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির কাছে আইটি বিভাগের তৎকালীন প্রধান ও সিআইটিও সুফি তোফায়েল আহমেদের সংশ্লিষ্টতায় অনিয়মের আলামত স্পষ্ট হয়ে ওঠে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে প্রশ্ন তোলা হয়, কাজটির জন্য প্রয়োজনীয় পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ইআরএ ইনফো টেক লিমিটেডকে কাজ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।

২০২২ সালের ১২ এপ্রিল তিন সদস্যের টেকনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট কমিটি প্রতিষ্ঠানটিকে কাজ দেওয়ার সুপারিশ করে। কমিটির সদস্য ছিলেন সুফি তোফায়েল আহমেদ, মহি উদ্দিন ও শেখ শরিফুল ইসলাম।

ডেটাবেজ ইনস্টলেশন ও কনফিগারেশনের কাজ মূল্যায়নকারী কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পেশাগত ডিগ্রি ছিল না বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কী পদ্ধতিতে কারিগরি মূল্যায়ন করা হয়েছিল, তারও স্পষ্ট বিবরণ পাওয়া যায়নি। দরপত্রে অংশ নেওয়া অন্য চার প্রতিষ্ঠানকে ২১ থেকে ২১ দশমিক ৫০ নম্বর দেওয়া হলেও ইআরএ ইনফো টেক লিমিটেড পায় ২৭ দশমিক ২৫ নম্বর। প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি নম্বর দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

২০২২ সালের ২০ এপ্রিল ওরাকল ডেটাবেজ ১৯সি কেনার বিষয়ে ক্রয় কমিটির সভা হয়। টেকনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট কমিটির মূল্যায়নের ভিত্তিতে ইআরএ ইনফো টেক লিমিটেডকে কাজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর ৫ মে প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়।

ক্রয় কমিটির সভায় সদস্য ছিলেন রফিকুল ইসলাম, সুফি তোফায়েল আহমেদ, আলী রেজা ও মেজর (অব.) মো. সাইফুল ইসলাম। আলী রেজা সভায় অনুপস্থিত থাকায় তাঁর পক্ষে মাকসুদুর রহমান অংশ নেন। কার্যাদেশে স্বাক্ষর করেন রফিকুল ইসলাম, সুফি তোফায়েল আহমেদ ও মেজর (অব.) মো. সাইফুল ইসলাম।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কার্যাদেশে টেন্ডার শিডিউলের গুরুত্বপূর্ণ কিছু শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এর মধ্যে জরিমানা-সংক্রান্ত ধারাও ছিল। এতে ব্যাংকের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে অডিটে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কার্যাদেশে ওরাকল ডেটাবেজ ১৯সি লাইসেন্স ও বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ (এএমসি) চুক্তির উল্লেখ থাকলেও সংশ্লিষ্ট নথি পাওয়া যায়নি।

ইনস্টলেশনের আগেই বিল পরিশোধ

তদন্ত প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণগুলোর একটি হলো বিল পরিশোধের প্রক্রিয়া। সম্পূর্ণ বিল দাখিল না করে শুধু ইনভয়েস পাওয়ার পর ২০২২ সালের ২৭ জুন ইআরএ ইনফো টেক লিমিটেডকে ৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা দেওয়ার অনুমোদন করা হয়। এ ক্ষেত্রে সাধারণ সেবা বিভাগের পরিবর্তে আইটি বিভাগ থেকে অফিস নোট ইস্যু করা হয়েছিল। তদন্ত কমিটির কাছে বিষয়টি স্বার্থের সংঘাত বা ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে বিভাগ প্রযুক্তিগত প্রয়োজন নির্ধারণ, মূল্যায়ন ও কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল, সেই বিভাগই অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে।

কার্যাদেশের শর্ত অনুযায়ী, ওরাকল ডেটাবেজ সরবরাহ, ইনস্টলেশন ও কনফিগারেশনের পর অর্থ পরিশোধের কথা ছিল। তবে তদন্তে ইনস্টলেশন ও কনফিগারেশন ছাড়াই বিল পরিশোধের তথ্য পাওয়া যায়। ২০২২ সালের ৬ জুলাই ইআরএ ইনফো টেক লিমিটেডের হিসাব থেকে চেকের মাধ্যমে নগদ অর্থ তোলা হয়।

তিন প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ স্থানান্তর

তদন্ত প্রতিবেদনে কথিত ‘ফিকটিশাস পারচেজ’ বা অস্তিত্বহীন কেনাকাটার সঙ্গে তিনটি প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে।

ইআরএ ইনফো টেক লিমিটেডের নামে ওরাকল ডেটাবেজ ১৯সি সরবরাহ, ইনস্টলেশন, কনফিগারেশন ও এএমসি বাবদ ৫ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে। স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের নামে ওরাকল ডেটাবেজ ১৯সি-এর এএমসি-সংক্রান্ত সেবা বাবদ ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। আর করপোরেট প্রযুক্তি লিমিটেডের নামে মাইক্রোসফট ৩৬৫ এফথ্রি ও মাইক্রোসফট ৩৬৫ অ্যাপস বাবদ দেখানো হয়েছে ৪৩ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।

সব মিলিয়ে এসব লেনদেনের পরিমাণ ৬ কোটি ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৭৫০ টাকা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ব্যাংকের হিসাব থেকে অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে এবং লেনদেনগুলো অসাধু পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়েছে।

ব্যাংকের পুরোনো ওরাকল ডেটাবেজ ১১জি থেকে ১৯সি সংস্করণে মাইগ্রেশনের কথা থাকলেও তদন্তে ১৯সি ইনস্টলেশন বা মাইগ্রেশন না হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। একই ডেটাবেজের এএমসি বাবদ অর্থ পরিশোধ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নিরীক্ষকেরা।

পরে স্মার্ট টেকনোলজিসের সঙ্গে নতুন করে এএমসি চুক্তি করা হয়। ২০২৪ সালের ১৯ মে তিন বছরের জন্য চুক্তিটি হয়। এক বছরের এএমসি বাবদ ৭৮ হাজার ডলার, অর্থাৎ ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়। মাইক্রোসফট ৩৬৫ সফটওয়্যার নিয়ে ব্যাংকের আইটি বিভাগের একটি চিঠিতে বলা হয়, ব্যাংকের কোনো কম্পিউটারে এই সফটওয়্যার ইনস্টল করা হয়নি।

তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, সুফি তোফায়েল আহমেদ, মো. মোহন মিয়া ও মেজর (অব.) আহমেদ মোস্তফা সাইরাস কারসুপির মাধ্যমে স্মার্ট টেকনোলজিসের সঙ্গে নতুন চুক্তি করেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই চুক্তিটি করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

মাইক্রোসফট ৩৬৫ বাবদ অর্থ পরিশোধ করা হয় ২০২৩ সালের ২১ সেপ্টেম্বরের পেমেন্ট অর্ডার নম্বর ২৯৩৩১২৫-এর মাধ্যমে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাইক্রোসফট ৩৬৫ এফথ্রি ও অ্যাপস না কিনেই পরিচালনা পর্ষদকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে অর্থ উত্তোলন করা হয়। এ ক্ষেত্রে সুফি তোফায়েল আহমেদ, রফিকুল ইসলাম, মো. ওয়াহিদ জামান ও মাকসুদুর রহমানের সহযোগিতার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

তদন্তে সুফি তোফায়েল আহমেদ, আলী রেজা, মো. মোহন মিয়া, মাকসুদুর রহমান, জয়নুল আবেদীন, মেজর (অব.) মো. সাইফুল ইসলাম, মেজর (অব.) আহমেদ মোস্তফা সাইরাস, রফিকুল ইসলাম ও তৌহিদুল ইসলাম খানের নাম উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখে প্রকৃত দায়ীদের শনাক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, ইআরএ ইনফো টেক, স্মার্ট টেকনোলজিস ও করপোরেট প্রযুক্তি লিমিটেডের সঙ্গে অনিয়মের মাধ্যমে ব্যাংকের ৬ কোটি ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৭৫০ টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আইটি বিভাগের সংবেদনশীল ও কারিগরি ব্যবস্থার সুযোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে ভুয়া কেনাকাটার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ইআরএ ইনফো টেক লিমিটেডের নাম আসার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং বিভাগের কর্মকর্তা রেজাউর রহমানের সঙ্গে কথা বলে এশিয়া পোস্ট। তিনি বলেন, “সফটওয়্যার আপডেটের জন্য কিছু কাজ করা হয়েছে। সেখানে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ সত্য নয়। তাদের সঙ্গে আমাদের চুক্তি অনুযায়ী, বৈধ কাগজপত্র সাবমিট করে কাজ করা হয়েছে।”

ব্যাংকের আইটি বিভাগের সাবেক প্রধান সুফি তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেন প্রতিবেদক। তবে মোবাইল ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে বারবার চেষ্টা করেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তথ্য দিতে পারেননি ইস্টার্ন ব্যাংকের হেড অব কোর ব্যাংকিং সিস্টেম মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির সদস্য না হওয়ায় এ বিষয়ে তাঁর কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।


নিউজটি আপডেট করেছেন : gbanglanews

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হিজলায় ৫১ লাখ মিটার পরিত্যক্ত ‎জাল উদ্ধার, আটক ২০ জেলে

হিজলায় ৫১ লাখ মিটার পরিত্যক্ত ‎জাল উদ্ধার, আটক ২০ জেলে