ঢাকা , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদের নিম্নকক্ষের মেয়াদ চার ও উচ্চকক্ষের মেয়াদ ছয় বছর করার প্রস্তাব সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে জানতে চায় সংসদীয় কমিটি রক্তের বাড়তি শর্করা সরিয়ে দেবে যন্ত্র! ওষুধ-ইনসুলিন ছাড়া ডায়াবিটিস কমানোর উপায় আবিষ্কার প্যান্ডেল হপিং করে পায়ের অবস্থা বেহাল, যেভাবে ফেরাবেন কোমল ভাব জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে দুই কমিশনারের চিঠি তাকেই ফেরত পাঠান মন্ত্রিপরিষদ সচিব কমলার থেকেও বেশি ভিটামিন ‘সি’ পাবেন যে ৫ খাবারে এআই খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে নতুন শেয়ার চালুর পরিকল্পনা মেটার রিয়াদে জরুরি সতর্কতা জারি টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজ বিস্ফোরণ: মা-বাবার পর প্রাণ গেল মেয়ের লালবাগে ড্রেনেজ সংস্কারে অনিয়ম, নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশও উপেক্ষিত হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর চার মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক পতনের পথে স্বর্ণ রণবীরের ‘রামায়ণ’ আসছে আগামী মাসেই, দেখা যাবে ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও সাজেকে কী ঘটেছে, কী হচ্ছে? ঢাবিতে গেজেটবঞ্চিতদের অনশন থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪ নেতা আটক সাংবাদিকদের যে পরামর্শ দিলেন সিএনএনের আমানপুর দুর্গা মায়ের বিদায়ে মন খারাপ সৌরভকন্যা সানার তাইওয়ানে নিহত ১, জাপানে বিদ্যুৎহীন ৮ হাজারের বেশি পরিবার সতর্ক করলেন সালমান খান অরুণাচল সীমান্তে ফের মুখোমুখি চীন-ভারত

ভবন বানাতে ৪ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা চায় শিশু একাডেমি

  • আপলোড সময় : ২৫-১০-২০২৬ ০৭:০৭:৩৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-১০-২০২৬ ০৭:০৭:৩৮ অপরাহ্ন
ভবন বানাতে ৪ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা চায় শিশু একাডেমি

দেশের ৬৪ জেলায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমির অবকাঠামো উন্নয়নে ৪ হাজার ৩২৪ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় ৫৭টি জেলা কার্যালয়ের ভবন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ এবং আরও সাতটি কার্যালয়ের ভবন সংস্কার ও মেরামতের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ৫৭টি ভবনের প্রতিটির নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০ কোটি টাকা। এ হিসাবে শুধু এসব ভবনের জন্যই বরাদ্দের প্রস্তাব ৩ হাজার ৪২০ কোটি টাকা। অন্যদিকে, সাতটি পুরোনো ভবন সংস্কার ও মেরামতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত প্রকল্পটি সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। এর মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত।

শিশুদের জন্য থাকবে নানা সুবিধা

প্রকল্পের আওতায় শুধু প্রশাসনিক কার্যালয় নির্মাণ নয়, শিশুদের সাংস্কৃতিক, সৃজনশীল, শিক্ষামূলক ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী অবকাঠামো তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রস্তাবিত সুবিধার মধ্যে রয়েছে মিলনায়তন, প্রশিক্ষণ কক্ষ, গ্রন্থাগার, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র এবং শিশু বিকাশ ও প্রাক্‌-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কক্ষ।

এ ছাড়া ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি ক্রয় ও উন্নয়নের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, এ জন্য ১৮ দশমিক ৫০ একর জমি অধিগ্রহণ বা ক্রয় ও উন্নয়নের প্রস্তাব রয়েছে। এ খাতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক আরজু আরা বেগম এনপিবি নিউজকে বলেন, জেলা পর্যায়ে বর্তমানে যেসব কার্যালয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলোর অধিকাংশই ভাড়া করা ভবনে অবস্থিত। অধিকাংশ ভবন পুরোনো ও জীর্ণশীর্ণ হওয়ায় সেখানে যথাযথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন। শিশুদের আকৃষ্ট করার লক্ষ্যেই প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “এই পুরনো, জীর্ণশীর্ণ ভবনে অনেকেই আসতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। সামনে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের প্রস্তাবনাও রয়েছে। আমরা তার আলোকে প্রকল্পের প্রস্তাব করেছি। আমাদের জনবল কাঠামো বাড়ানোর জন্যও একটি প্রস্তাব তৈরি হচ্ছে। তারই আলোকে জেলা পর্যায়ে কার্যালয় নির্মাণের জন্য এই প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে।”

মহাপরিচালক আরও বলেন, “পরিকল্পনা কমিশন যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা প্রাথমিক প্রস্তাব দিয়েছি।”

শিশুদের বিকাশ ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবকাঠামো উন্নয়ন

প্রকল্পের সার্বিক লক্ষ্য হিসেবে জেলা পর্যায়ে শিশু একাডেমির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিশুদের বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা, নির্যাতন প্রতিরোধ ও শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে ৬৪ জেলায় শিশু একাডেমির কার্যালয় ভবন নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ, সংস্কার ও মেরামত। পাশাপাশি মিলনায়তন, প্রশিক্ষণ কক্ষ, গ্রন্থাগার এবং শিশু দিবাযত্ন ও বিকাশ কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী স্থাপনা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পের নথিতে বলা হয়েছে, জেলা পর্যায়ে শিশুদের জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও শিশুবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলা গেলে শিক্ষা, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, প্রতিভা বিকাশ ও সামাজিক সহায়তামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সরকারি শিশু-সেবা অবকাঠামোর মধ্যে সমতা আনা এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নেও প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পটি ২০২৬-৩১ মেয়াদের সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি সংস্কার ও উন্নয়ন কৌশলগত কাঠামোর সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সংহতিসংশ্লিষ্ট লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রকল্পটি সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

পাঁচ বছরে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলার শিশু একাডেমির অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে প্রকল্পটি এখনো প্রস্তাব পর্যায়ে রয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের পরই এর চূড়ান্ত ব্যয় ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নির্ধারিত হবে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : gbanglanews

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
যে কারণে ক্ষমা চাইলেন আওয়ামীপন্থি ২ আইনজীবী

যে কারণে ক্ষমা চাইলেন আওয়ামীপন্থি ২ আইনজীবী