ঢাকা , রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ , ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদের নিম্নকক্ষের মেয়াদ চার ও উচ্চকক্ষের মেয়াদ ছয় বছর করার প্রস্তাব সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে জানতে চায় সংসদীয় কমিটি রক্তের বাড়তি শর্করা সরিয়ে দেবে যন্ত্র! ওষুধ-ইনসুলিন ছাড়া ডায়াবিটিস কমানোর উপায় আবিষ্কার প্যান্ডেল হপিং করে পায়ের অবস্থা বেহাল, যেভাবে ফেরাবেন কোমল ভাব জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে দুই কমিশনারের চিঠি তাকেই ফেরত পাঠান মন্ত্রিপরিষদ সচিব কমলার থেকেও বেশি ভিটামিন ‘সি’ পাবেন যে ৫ খাবারে এআই খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে নতুন শেয়ার চালুর পরিকল্পনা মেটার রিয়াদে জরুরি সতর্কতা জারি টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজ বিস্ফোরণ: মা-বাবার পর প্রাণ গেল মেয়ের লালবাগে ড্রেনেজ সংস্কারে অনিয়ম, নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশও উপেক্ষিত হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর চার মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক পতনের পথে স্বর্ণ রণবীরের ‘রামায়ণ’ আসছে আগামী মাসেই, দেখা যাবে ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও সাজেকে কী ঘটেছে, কী হচ্ছে? ঢাবিতে গেজেটবঞ্চিতদের অনশন থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪ নেতা আটক সাংবাদিকদের যে পরামর্শ দিলেন সিএনএনের আমানপুর দুর্গা মায়ের বিদায়ে মন খারাপ সৌরভকন্যা সানার তাইওয়ানে নিহত ১, জাপানে বিদ্যুৎহীন ৮ হাজারের বেশি পরিবার সতর্ক করলেন সালমান খান অরুণাচল সীমান্তে ফের মুখোমুখি চীন-ভারত

জিনে উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি থাকলেও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে মিলতে পারে সুরক্ষা

  • আপলোড সময় : ২৫-১০-২০২৬ ০৭:২৯:২১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-১০-২০২৬ ০৭:২৯:২১ অপরাহ্ন
জিনে উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি থাকলেও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে মিলতে পারে সুরক্ষা

উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি অনেক সময় বংশগতভাবে আসে। তবে জিনগত প্রবণতা থাকলেই যে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল (LDL) বেড়ে যাবে, তা নয়। ভারতের চেন্নাইয়ে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস জিনগত ঝুঁকি ও উচ্চ কোলেস্টেরলের মধ্যকার সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষ করে যাদের শরীরে এলডিএল বেড়ে যাওয়ার জিনগত প্রবণতা রয়েছে, তাদের জন্য প্রতিদিনের খাবারের মান গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতীয়দের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পালিশ করা সাদা ভাত, ময়দার পরোটা, নারকেল তেলে রান্না করা খাবার এবং অতিরিক্ত ঘি খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। এসব খাবারের পাশাপাশি ফল, সবজি ও আঁশসমৃদ্ধ খাবার পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকলে সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাস্থ্যকর মাত্রা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

চেন্নাইয়ের ১ হাজার ২০ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের খাদ্যাভ্যাসের মান মাঝারি বা ভালো, তাদের ক্ষেত্রে জিনগত ঝুঁকি এবং উচ্চ এলডিএল ও মোট কোলেস্টেরলের মধ্যে পরিসংখ্যানগতভাবে উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, যাদের খাদ্যাভ্যাসের মান খারাপ, তাদের মধ্যে জিনগত ঝুঁকির সঙ্গে উচ্চ এলডিএল ও মোট কোলেস্টেরলের সম্পর্ক স্পষ্ট ছিল।

গবেষণাটির অন্যতম লেখক এবং ড. মোহনের ডায়াবেটিস স্পেশালিটিজ সেন্টার ও মাদ্রাজ ডায়াবেটিস রিসার্চ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান চিকিৎসক ভি মোহন বলেন, জিন বিপাকজনিত রোগের ঝুঁকিকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে সেই ঝুঁকির প্রকাশ কতটা হবে, তা কিছুটা পরিবর্তন করা সম্ভব। জন্মগতভাবে উচ্চ কোলেস্টেরল বা ডায়াবেটিসের প্রবণতা থাকলেও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে বিপাকীয় স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা পাওয়া যায়।

গবেষণায় কী পাওয়া গেছে?

‘লো ডায়েট কোয়ালিটি ইনক্রিজেস দ্য জেনেটিক রিস্ক অব হাই ব্লাড কোলেস্টেরল লেভেলস ইন এশিয়ান ইন্ডিয়ান অ্যাডাল্টস [CURES–165]’ শিরোনামের গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে PLOS ONE সাময়িকীতে। চেন্নাই আরবান রুরাল এপিডেমিওলজি স্টাডি (CURES) নামের দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা কর্মসূচির তথ্যের ভিত্তিতে এটি পরিচালিত হয়।

গবেষণায় ২৫ থেকে ৮০ বছর বয়সী ১ হাজার ২০ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ৪৫২ জন পুরুষ এবং ৫৬৮ জন নারী। গবেষকেরা তিনটি জিনগত ভ্যারিয়েন্ট বিশ্লেষণ করে একটি জিনগত ঝুঁকি স্কোর তৈরি করেন।

খাদ্যাভ্যাসের মান নির্ধারণে আটটি খাদ্যগোষ্ঠী বিবেচনা করা হয়। এগুলো হলো ডাল ও শিমজাতীয় খাবার, ফল ও সবজি, দুধজাত পণ্য, সাদা ভাত, ভোজ্য চর্বি ও তেল, অতিরিক্ত চিনি, অতিরিক্ত লবণ এবং মুরগির মাংস ও ডিম।

ফলাফলে দেখা যায়, নিম্নমানের খাদ্যাভ্যাসের অধিকারীদের মধ্যে জিনগত ঝুঁকির স্কোর বেশি হলে মোট কোলেস্টেরল ও এলডিএলের মাত্রাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল। তবে মাঝারি ও উন্নত মানের খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রে এই সম্পর্ক পরিসংখ্যানগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ছিল না।

এ ছাড়া জিনগত ঝুঁকির স্কোরের সঙ্গে খালি পেটে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা এবং গত দুই থেকে তিন মাসের গড় রক্তে শর্করার মাত্রা নির্দেশক এইচবিএ১সি (HbA1c)-এর উচ্চ মাত্রার সম্পর্কও পাওয়া গেছে।

চিকিৎসক মোহনের মতে, নির্দিষ্ট কিছু জিনগত বৈশিষ্ট্য উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে একজন কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন, তার ওপরও এই ঝুঁকির প্রকাশ নির্ভর করতে পারে। তাই খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের জন্য জিনগত পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় থাকার প্রয়োজন নেই।

চেন্নাইয়ের গবেষণা ভারতের অন্য অঞ্চলের মানুষের জন্যও কেন গুরুত্বপূর্ণ?

গবেষণাটি চেন্নাইয়ে পরিচালিত হলেও এর ফলাফল শুধু তামিল জনগোষ্ঠী বা নির্দিষ্ট কোনো খাদ্যাভ্যাসের মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক মোহন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, CURES গবেষণায় চেন্নাইয়ের বিভিন্ন ভাষাগত ও আঞ্চলিক পটভূমির মানুষের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। শহরটিতে তেলুগুভাষী, মারওয়ারি, জৈন, বাঙালি এবং উত্তর প্রদেশ, বিহার ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করেন।

তিনি ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিচালিত ICMR-INDIAB গবেষণার কথাও উল্লেখ করেন। ওই গবেষণাতেও বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ ও ডায়াবেটিসের সম্পর্কের অনুরূপ প্রবণতা দেখা গেছে, যদিও অঞ্চলভেদে প্রধান খাদ্যশস্যের ধরন আলাদা।

মোহনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মুম্বাইয়ে কেউ পাউরুটি বা চাপাতি খান, আর চেন্নাইয়ে কেউ সাদা ভাত খান—শুধু এই পার্থক্য দিয়ে শরীরের বিপাকীয় প্রতিক্রিয়া নির্ধারণ করা যায় না। বরং শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ সামগ্রিক বিপাকীয় ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

শরীরের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করলে অতিরিক্ত শক্তি চর্বি হিসেবে জমতে পারে। এর ফলে যকৃতে চর্বি জমা এবং রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়। ট্রাইগ্লিসারাইড বেড়ে গেলে এলডিএল ও এইচডিএল বা ভালো কোলেস্টেরলের কণার বৈশিষ্ট্যও পরিবর্তিত হতে পারে। এতে ছোট ও ঘন এলডিএল কণা তৈরি হওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে, যা ধমনিতে চর্বিজাতীয় আস্তরণ জমার ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত।

তবে ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি হলেই যে মোট এলডিএল কোলেস্টেরল বাড়বে, তা নয়। এলডিএলের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও এর কণার বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয়ে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। একই সঙ্গে এইচডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমতে পারে।

অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ ওজন বৃদ্ধি এবং ইনসুলিন প্রতিরোধের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। তবে সব ধরনের কার্বোহাইড্রেট এলডিএল কোলেস্টেরলের ওপর একই প্রভাব ফেলে না। খাবারের ধরন, পরিমাণ, সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস এবং ব্যক্তির বিপাকীয় বৈশিষ্ট্যের ওপর এর প্রভাব নির্ভর করে। পরিশোধিত শস্যের পরিবর্তে পূর্ণশস্য, ডাল, সবজি ও অন্যান্য আঁশসমৃদ্ধ খাবার বেছে নেওয়া রক্তের চর্বির স্বাস্থ্যকর মাত্রা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।

কোন খাবারগুলোর বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন?

চিকিৎসক মোহন পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেটকে খাদ্যাভ্যাসের অন্যতম উদ্বেগজনক দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তাঁর মতে, পালিশ করা সাদা চালের পরিবর্তে কম প্রক্রিয়াজাত শস্য এবং ময়দার পরিবর্তে পূর্ণশস্যের আটা বেছে নেওয়া ভালো বিকল্প হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, নারকেল তেল, পাম তেল, ঘি ও মাখনের মতো স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার এলডিএল কোলেস্টেরল বাড়াতে পারে। এর পরিবর্তে অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত তেল বেছে নেওয়া যেতে পারে। চিনাবাদাম, সরিষা ও তিলের তেলে মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। অন্যদিকে, সূর্যমুখী তেল পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটের উৎস।

তবে গবেষকেরা স্পষ্ট করেছেন, তাঁদের গবেষণায় কোনো নির্দিষ্ট তেল, শস্য বা একক খাবারকে কোলেস্টেরল বৃদ্ধির সরাসরি কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। তাঁরা মূল্যায়ন করেছেন সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসের মান।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকা কেমন হওয়া উচিত?

ড. মোহনের ডায়াবেটিস স্পেশালিটিজ সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং গবেষণাটির সহলেখক চিকিৎসক আর অনজানার মতে, একটি নির্দিষ্ট খাবার নয়, বরং সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসই শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।

তাঁর মতে, অতিরিক্ত পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট, মিষ্টি ও চিনিযুক্ত পানীয় অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ক্যালরি গ্রহণ করলে শরীরে চর্বি জমতে পারে। পাশাপাশি স্যাচুরেটেড ও ট্রান্স ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবারও রক্তের চর্বির মাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি খাবার থেকে কোনো একটি খাদ্যগোষ্ঠী পুরোপুরি বাদ দেওয়ার পরিবর্তে ভারসাম্য বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। কার্বোহাইড্রেটের সঙ্গে প্রোটিন এবং চর্বিযুক্ত খাবারের পাশাপাশি আঁশসমৃদ্ধ খাবার রাখলে খাদ্যতালিকার সামগ্রিক মান উন্নত করা সম্ভব।

স্বাস্থ্যকর খাবারের পরিমাণ নির্ধারণে তাঁর পরামর্শ হলো, প্লেটের অর্ধেক অংশে ফল ও সবজি, বিশেষ করে সবুজ পাতাযুক্ত সবজি রাখতে হবে। বাকি অর্ধেকের এক-চতুর্থাংশে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার এবং অন্য এক-চতুর্থাংশে শ্বেতসারযুক্ত খাবার রাখা যেতে পারে। খাবারের সঙ্গে পানি, দুধ বা দইও রাখা যেতে পারে। তবে ব্যক্তির বডি মাস ইনডেক্স (BMI), ডায়াবেটিসের অবস্থা ও পুষ্টির চাহিদা অনুযায়ী খাদ্যতালিকার অনুপাত পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি আরও পরামর্শ দিয়েছেন, যতটা সম্ভব কম প্রক্রিয়াজাত খাবার বেছে নিতে। ফলের রস বা প্যাকেটজাত ফলের পানীয়ের পরিবর্তে গোটা ফল খাওয়া ভালো। গাজর, শসা ও টমেটোর মতো কাঁচা খাওয়ার উপযোগী সবজি ভালোভাবে ধুয়ে খেতে হবে। অন্যান্য সবজিও অতিরিক্ত সিদ্ধ না করে উপযুক্তভাবে রান্না করা যেতে পারে। ব্যস্ত জীবনে সব সময় এসব পরামর্শ মেনে চলা কঠিন হলেও প্যাকেটজাত ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানোর চেষ্টা করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে কতটা কমতে পারে এলডিএল?

চিকিৎসক অনজানার মতে, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে কোলেস্টেরলের বিভিন্ন মাত্রার উন্নতি হতে পারে। তবে কতটা উন্নতি হবে, তা ব্যক্তিভেদে আলাদা। খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে। অন্যদিকে, এলডিএল কোলেস্টেরলের ক্ষেত্রে বংশগত প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ। তবু স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেওয়া কোলেস্টেরলের সামগ্রিক নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

শুধু জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনে কোলেস্টেরল যথেষ্ট কমানো সম্ভব না হলে ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। যাঁদের এলডিএল সামান্য বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামে উন্নতি দেখা যেতে পারে। তবে যাঁদের কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেক বেশি, তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে।

কোলেস্টেরলের মাত্রা দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্যমাত্রার অনেক ওপরে থাকলে চিকিৎসা নিতে দেরি করা উচিত নয়। বংশগত ঝুঁকি থাকলে নিয়মিত কোলেস্টেরল পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।


নিউজটি আপডেট করেছেন : gbanglanews

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জিনে উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি থাকলেও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে মিলতে পারে সুরক্ষা

জিনে উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি থাকলেও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে মিলতে পারে সুরক্ষা