ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬ , ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের সুফল পৌঁছাতে হবে রোগীর দোরগোড়ায়: এমপি শফিকুল ইসলাম মিলন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা ৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত? মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নামআগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। সরকার ও দলীয় সূত্রের দাবি, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় ভূমিকার মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ছয় মাসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা দেখাতে পারেননি বা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়েছেন, তাদের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমানে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসম্পাদনের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এবং প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। এ ছাড়া টেকনোক্রেট কোটায় নতুন সদস্য, অতিরিক্ত উপদেষ্টা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দলের ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা এবং তরুণ সংসদ সদস্যদেরও মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি বা স্পিকার পদে নতুন করে কাউকে মনোনয়ন না দেওয়া হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমানের নাম সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে। সরকারের শরিক ও সমমনা দলগুলোর মধ্য থেকেও কয়েকজন নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছে সরকার। এ কারণে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, মন্ত্রীদের মূল্যায়নে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, জনভোগান্তি কমাতে নেওয়া উদ্যোগ, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সম্ভাব্য রদবদল ও আলোচিত ব্যক্তিদের নাম সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনায় রয়েছে। ছাত্র আন্দোলনের জেরে বিহার ও মধ্যপ্রদেশে মুখ থুবড়ে পড়ল বিজেপি নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই রাখার দাবিতে মানববন্ধন বলিউডকে আর আগের মতো ‘পরিবার’ মনে হয় না: সঞ্জয় দত্ত ইমরান খানকে মুক্তি দিতে পাকিস্তানে গোপন আলোচনা? পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র: সুবিধা ও কেনার নিয়ম দুবাইয়ে বেনজীরের জামিন নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগ দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৯০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রক্সি পরীক্ষায় চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে ৪৫তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্তসহ ৩ সরকারি চাকরিজীবী গ্রেফতার আগস্টেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন উলটো রথ টানার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো রথযাত্রা উৎসব রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে যা বললেন স্পিকার পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর

  • আপলোড সময় : ০৪-০৮-২০২৬ ০২:৩১:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৮-২০২৬ ০২:৩১:১৮ অপরাহ্ন
৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের পর তিনি জাদুঘরটি পরিদর্শন করবেন। পরদিন ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) থেকে জাদুঘরটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, জাদুঘরের নির্মাণ বা ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। জাদুঘর উদ্বোধন উপলক্ষে বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি বর্ণাঢ্য কনসার্টেরও আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জাদুঘরটি আরও সমৃদ্ধ ও তথ্যবহুল করা হবে।

জাদুঘরে প্রবেশের বিষয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের দিন (৫ আগস্ট) শুধুমাত্র জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য জাদুঘরটি উন্মুক্ত থাকবে। ৬ আগস্ট থেকে সাধারণ দর্শনার্থীরা নির্ধারিত টিকিট কেটে জাদুঘর পরিদর্শন করতে পারবেন।

তিনি জানান, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধি, কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিজন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, জুলাই যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমানের।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে জাদুঘরের মহাপরিচালক অতিথি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাবেন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : M Mehedi Hasan Arif

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নামআগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। সরকার ও দলীয় সূত্রের দাবি, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় ভূমিকার মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ছয় মাসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা দেখাতে পারেননি বা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়েছেন, তাদের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে।  সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমানে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসম্পাদনের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এবং প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।  এ ছাড়া টেকনোক্রেট কোটায় নতুন সদস্য, অতিরিক্ত উপদেষ্টা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দলের ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা এবং তরুণ সংসদ সদস্যদেরও মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।  রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি বা স্পিকার পদে নতুন করে কাউকে মনোনয়ন না দেওয়া হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমানের নাম সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।  এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে।  সরকারের শরিক ও সমমনা দলগুলোর মধ্য থেকেও কয়েকজন নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে।  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছে সরকার। এ কারণে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।  সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, মন্ত্রীদের মূল্যায়নে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, জনভোগান্তি কমাতে নেওয়া উদ্যোগ, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।  তবে এ বিষয়ে সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সম্ভাব্য রদবদল ও আলোচিত ব্যক্তিদের নাম সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনায় রয়েছে।

মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নামআগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। সরকার ও দলীয় সূত্রের দাবি, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় ভূমিকার মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ছয় মাসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা দেখাতে পারেননি বা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়েছেন, তাদের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমানে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসম্পাদনের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এবং প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। এ ছাড়া টেকনোক্রেট কোটায় নতুন সদস্য, অতিরিক্ত উপদেষ্টা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দলের ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা এবং তরুণ সংসদ সদস্যদেরও মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি বা স্পিকার পদে নতুন করে কাউকে মনোনয়ন না দেওয়া হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমানের নাম সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে। সরকারের শরিক ও সমমনা দলগুলোর মধ্য থেকেও কয়েকজন নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছে সরকার। এ কারণে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, মন্ত্রীদের মূল্যায়নে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, জনভোগান্তি কমাতে নেওয়া উদ্যোগ, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সম্ভাব্য রদবদল ও আলোচিত ব্যক্তিদের নাম সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনায় রয়েছে।

স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের সুফল পৌঁছাতে হবে রোগীর দোরগোড়ায়: এমপি শফিকুল ইসলাম মিলন

স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের সুফল পৌঁছাতে হবে রোগীর দোরগোড়ায়: এমপি শফিকুল ইসলাম মিলন