ঢাকা , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন নির্বাচনে এমপিও শিক্ষকদের অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ইসি আজই বিদ্যুৎ সরবরাহে ফিরছে আদানির বন্ধ ইউনিট হরমুজ খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৭ শর্ত দিল ইরান আজকের স্বর্ণের দাম: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আ. লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ রক্তচাপ কতটা কমলে সতর্ক হবেন আমিশা প্যাটেলের মুম্বাইয়ের বাড়িতে চুরি, গৃহকর্মী গ্রেফতার কেশমের কাছে ইরানি জাহাজে হামলা, নিহত ১ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম ১৫ সেপ্টেম্বর, প্রার্থী চূড়ান্ত ১৮ তারিখ জোরপূর্বক পদত্যাগ পত্রের আইনি বৈধতা নেই: হাইকোর্ট নিবন্ধিত প্রবাসী ভোটারদের সম্মতি ও নতুন নিবন্ধনে আহ্বান ইসির হাসপাতাল ব্যবস্থাপককে বস্তায় ভরে টেনে নেওয়ার ভিডিও, বাস্তবে যা ঘটেছে ওসামা বিন লাদেনের ‘হিটলিস্টে’ ছিল ভারতসহ ৮ দেশ কিডনি রোগীদের জন্য বড় সুখবর বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪ এমবাপ্পের জোড়া গোলে জিতল রিয়াল পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম ২৩ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিডিআর বিদ্রোহে সাজা নিয়ে সংসদকে যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন

  • আপলোড সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০১:০২:২১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০১:০২:২১ অপরাহ্ন
সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন তাদের পরিবারের সদস্যরা। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ট্রাইব্যুনালে এ আবেদন করা হয়।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯তমবারের মতো পিছিয়ে যায়। নতুন করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

যেভাবে হত্যা করা হয়

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের তৎকালীন বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি।

পরদিন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলানগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে শেরেবাংলানগর থানা পুলিশ মামলাটির তদন্ত শুরু করে। পরে তদন্তভার দেওয়া হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। দুই মাসেও মামলার রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) কাছে দেওয়া হয়।

টাস্কফোর্সের হাতে তদন্ত

দীর্ঘদিনেও তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট র‌্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন।

পরে চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। বর্তমানে এই টাস্কফোর্সই মামলাটির তদন্ত করছে।

তবে নির্ধারিত সময়ে তদন্ত শেষ না হওয়ায় কয়েক দফায় সময় বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৬ এপ্রিল হাইকোর্ট তদন্ত শেষ করতে আরও ছয় মাস সময় দেন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : M Mehedi Hasan Arif

কমেন্ট বক্স