ঢাকা , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছাত্র নয়, এই ব্যবস্থা চায় ‘অন্ধভক্ত’ : রাহুল গান্ধী যেভাবে হত্যা করা হয়েছে অপ্রতিমকে, লোমহর্ষক বর্ণনা দিল পুলিশ টম ক্রুজকে ফুটবল শেখালেন টেলর সুইফট, জানালেন কী কথা হয়েছিল জাপান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে ন্যায়বিচার চাইলেন জামায়াত আমির হার্টের রিংয়ে অতিরিক্ত দাম, হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে দুদকের অভিযান মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন একরাতে রাশিয়ায় ১১০০ ড্রোন ছুড়ল ইউক্রেন অপ্রতিম হত্যায় ৪ জন গ্রেফতার, অপরাধ স্বীকার সব সময় ক্লান্ত লাগে? এক চামচ কালো তিলেই মিলতে পারে শক্তি জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তরুণ উদ্যোক্তাদের বিনা জামানতে ২০ লাখ ঋণ, আবেদন যেভাবে আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশের কথা জানাল পুলিশ শেফালির সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে রানের পাহাড়ে চাপা দিল ভারত ‘হাইব্রিড হামলার’ ভয়ে তটস্থ ইউরোপ, নেপথ্যে কী? চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ বার্সার দুর্বার রাফিনিয়া কেন ব্রাজিলে ম্লান? নেপথ্যে ৩ কারণ টাইফয়েডের টিকা পায়নি যেসব শিক্ষার্থী, তাদের করণীয় কী ইয়েমেন উপকূলে ইরানের রাডার, বাড়ছে বিশেষজ্ঞদের আনাগোনা সরিষা শাক থেকে খাসির স্যুপ, কেমন খাবার পছন্দ চীনা প্রেসিডেন্টের?

জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

  • আপলোড সময় : ২০-০৯-২০২৬ ০১:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৯-২০২৬ ০১:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন
জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামীকাল সোমবার নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে তিনি বাংলায় ভাষণ দেবেন। বিষয়টি রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

জাতিসংঘে এটিই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভাষণ। জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে তিনি সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন। তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালে প্রথমবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন। খালেদা জিয়া ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে জাতিসংঘের বিভিন্ন সাধারণ পরিষদ কার্যক্রমে পাঁচবার বক্তব্য দেন।

বাংলাদেশের জন্য এবারের অধিবেশন আরও তাৎপর্যপূর্ণ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সাধারণ বিতর্ক ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি

নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বিশ্বনেতাদের জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবের দেওয়া স্বাগত প্রাতঃরাশ ও সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী আয়োজনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। একই দিন মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। একই দিন বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলাবিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের সভা এবং ‘Climate Action and the Just Transition’ শীর্ষক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলাবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ ও জলবায়ু ন্যায়বিচার নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার কথা রয়েছে।

একই দিন সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেবেন তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাঁর ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষ গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, উন্নয়ন অগ্রাধিকার, বিশ্বশান্তি ও আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলা, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, জলবায়ু অর্থায়ন এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো বিষয়ও গুরুত্ব পেতে পারে।

রোহিঙ্গা ও জলবায়ু ইস্যু

সফরে বাংলাদেশের আয়োজনে দুটি সাইড ইভেন্টেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। ২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন তিনি।

২৪ সেপ্টেম্বর মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং মিডওয়াইফারি বিষয়ক একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

এ ছাড়া জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে। এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য-বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট এবং মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূতসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠকের কথা রয়েছে।

অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। এসব আলোচনায় বাংলাদেশে বিনিয়োগ, উৎপাদন, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তুলে ধরার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন এবং ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করবেন বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : gbanglanews

কমেন্ট বক্স
ছাত্র নয়, এই ব্যবস্থা চায় ‘অন্ধভক্ত’ : রাহুল গান্ধী

ছাত্র নয়, এই ব্যবস্থা চায় ‘অন্ধভক্ত’ : রাহুল গান্ধী