ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুলিশের নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৪ দিনে ৩০টি বৈঠকে সশরীরে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে ডিসেম্বরের মধ্যে আসবে ইউরেনিয়ামের চালান যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী উখিয়ায় ৪০ হাজার ইয়াবাসহ আটক দুই জন ‘পাকিস্তান সফর কবে’ প্রশ্নে সাংবাদিকদের কী বললেন প্রধানমন্ত্রী নতুন উপাচার্যের যোগদান, অচলাবস্থা বাড়ছে চুয়েটে মেসির বিদায়ী ম্যাচের বিশেষ স্মারক জার্সি উন্মোচন জাতিসংঘে জাইমা রহমানের নিয়োগ: আইন কর্মকর্তা পদটির কাজ কী? নেতানিয়াহুর সামনে সোলাইমানির ছবি রেখে বেরিয়ে গেলেন ইরানি নেতারা ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের বিশেষ অভিযান, গ্রেফতার ৭৩ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচলে জরুরি নির্দেশনা নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শাহবাজ শরিফের সাক্ষাৎ, যা আলোচনা হলো নিত্যপণ্যের বাজারে ‘আগুন’, লাগাম টানবে কে? যুদ্ধে সেনাদের ‘প্রাণ উৎসর্গের’ প্রস্তুতির আহ্বান সৌদি গ্র্যান্ড মুফতির গণতন্ত্র ধ্বংস করতে বিরোধী দল নতুন চক্রান্তে লিপ্ত: পানিসম্পদমন্ত্রী স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ দেশের সব হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশ

সিটির বিরুদ্ধে প্রমাণিত ১১৪টি অভিযোগে কী ছিল?

  • আপলোড সময় : ২৬-০৯-২০২৬ ১০:১৩:৩১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৯-২০২৬ ১০:১৩:৩১ পূর্বাহ্ন
সিটির বিরুদ্ধে প্রমাণিত ১১৪টি অভিযোগে কী ছিল?

ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের ১১৫টি অভিযোগের প্রায় সবই প্রমাণিত হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসব অভিযোগ আনা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে স্বাধীন কমিশনের শুনানি শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে মামলাটি এখন আপিল পর্যায়ে যাওয়ার পথে। তবে প্রিমিয়ার লিগ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে রায় প্রকাশ করেনি এবং প্রক্রিয়াটি গোপনীয় থাকায় সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তও প্রকাশ করা হয়নি।

২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নয় মৌসুমে আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয় ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগও রয়েছে। ২০২৩ সালে প্রিমিয়ার লিগের প্রকাশিত অভিযোগের সংখ্যা ছিল ১১৫টি। তবে কিছু প্রতিবেদনে প্রকৃত অভিযোগের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। ওই সময়ের অভিযোগগুলো সিটি অস্বীকার করে আসছে।

প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক ন্যায্যতা ও লাভ-টেকসইতার নিয়মের উদ্দেশ্য হলো ক্লাবগুলো যেন নিজেদের আয় ও আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যয় করে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে নয় মৌসুমে সঠিক আর্থিক তথ্য না দেওয়া, চার বছর ধরে একজন কোচের পারিশ্রমিকের পুরো তথ্য প্রকাশ না করা এবং পাঁচ বছর উয়েফার আর্থিক ন্যায্যতার নিয়ম না মানা।

ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে অভিযোগের সূত্রপাত ২০১৮ সালে জার্মানির ডার স্পিগেলের একাধিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে। এসব প্রতিবেদনে পর্তুগিজ হ্যাকার রুই পিন্টোর সংগ্রহ করা ইমেইল ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে ২০১৯ সালে উয়েফা ও প্রিমিয়ার লিগ সিটির আর্থিক কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত শুরু করে।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে উয়েফার আর্থিক ন্যায্যতার নিয়ম ভঙ্গের দায়ে সিটিকে দুই বছরের ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞা ও ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করা হয়। পরে কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্ট (ক্যাস) নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে জরিমানা কমিয়ে ১০ মিলিয়ন ইউরো করে। ক্যাসের রায়ে বলা হয়েছিল, অভিযোগগুলোর বেশিরভাগই প্রমাণিত হয়নি অথবা সময়সীমা অতিক্রম করেছিল।

প্রিমিয়ার লিগের ক্ষেত্রে অভিযোগ তদন্তের জন্য উয়েফার মতো পাঁচ বছরের নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। এ কারণে ২০০৯ সাল থেকে সিটির আর্থিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ আনা সম্ভব হয়েছে। ২০২৩ সালে অভিযোগ আনার পর ম্যানচেস্টার সিটি জানিয়েছিল, তারা এতে বিস্মিত এবং নিজেদের অবস্থানের পক্ষে শক্ত প্রমাণ রয়েছে।

সিটির বিরুদ্ধে মামলার শুনানি ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ৬ ডিসেম্বর শেষ হয়। লন্ডনের ইন্টারন্যাশনাল ডিসপিউট রেজোলিউশন সেন্টারে তিন সদস্যের স্বাধীন কমিশনের সামনে ১২ সপ্তাহ ধরে শুনানি চলে। বিপুলসংখ্যক অভিযোগ ও নথি পর্যালোচনার কারণে রায় দিতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে বলে তখনই ধারণা করা হয়েছিল।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে প্রায় সবকটিতেই সিটিকে দায়ী করা হয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, দ্য অ্যাথলেটিকের প্রতিবেদনে ১১৫টির মধ্যে একটি ছাড়া সব অভিযোগে সিটি দোষী সাব্যস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ম্যানচেস্টার সিটি বলেছে, প্রিমিয়ার লিগের প্রক্রিয়া এখনো চলমান এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিষ্পত্তি হওয়া বাকি। ক্লাবটি আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে পয়েন্ট কেটে নেওয়া, জরিমানা এমনকি প্রিমিয়ার লিগ থেকে বহিষ্কারের মতো শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে চূড়ান্ত শাস্তি কী হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়নি।


নিউজটি আপডেট করেছেন : gbanglanews

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পুলিশের নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা

পুলিশের নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা