ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৪ দিনে ৩০টি বৈঠকে সশরীরে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে ডিসেম্বরের মধ্যে আসবে ইউরেনিয়ামের চালান যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী উখিয়ায় ৪০ হাজার ইয়াবাসহ আটক দুই জন ‘পাকিস্তান সফর কবে’ প্রশ্নে সাংবাদিকদের কী বললেন প্রধানমন্ত্রী নতুন উপাচার্যের যোগদান, অচলাবস্থা বাড়ছে চুয়েটে মেসির বিদায়ী ম্যাচের বিশেষ স্মারক জার্সি উন্মোচন জাতিসংঘে জাইমা রহমানের নিয়োগ: আইন কর্মকর্তা পদটির কাজ কী? নেতানিয়াহুর সামনে সোলাইমানির ছবি রেখে বেরিয়ে গেলেন ইরানি নেতারা ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের বিশেষ অভিযান, গ্রেফতার ৭৩ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচলে জরুরি নির্দেশনা নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শাহবাজ শরিফের সাক্ষাৎ, যা আলোচনা হলো নিত্যপণ্যের বাজারে ‘আগুন’, লাগাম টানবে কে? যুদ্ধে সেনাদের ‘প্রাণ উৎসর্গের’ প্রস্তুতির আহ্বান সৌদি গ্র্যান্ড মুফতির গণতন্ত্র ধ্বংস করতে বিরোধী দল নতুন চক্রান্তে লিপ্ত: পানিসম্পদমন্ত্রী স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ দেশের সব হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশ আলিয়া মাদ্রাসা জাতীয়করণের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • আপলোড সময় : ২৬-০৯-২০২৬ ১১:০১:১১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৯-২০২৬ ১১:০১:১১ পূর্বাহ্ন
১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৯৭ লাখের বেশি শিশু টিকা পেয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। হাম প্রতিরোধে বাদ পড়া ও নতুন করে টিকার উপযুক্ত শিশুদের আওতায় আনতে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) থেকে নতুন করে বিশেষ ক্যাচআপ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ধাপে ধাপে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। প্রথমে ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় ৫ এপ্রিল কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ১২ এপ্রিল চারটি সিটি করপোরেশনে এবং ২০ এপ্রিল সারাদেশে কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান কর্মসূচিতে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭১ হাজার ৭২০ শিশু টিকা পেয়েছে, যা প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। শুরুতে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এরপরও দেশে হাম সংক্রমণ অব্যাহত থাকায় ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ‘ইনটেনসিফাইড এমআর ক্যাচ-আপ ভ্যাকসিনেশন’ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী যেসব শিশু আগের ক্যাম্পেইনে টিকা পায়নি বা বাদ পড়েছে, তাদের পাশাপাশি নতুন করে টিকা দেওয়ার উপযুক্ত শিশুদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। লক্ষ্য প্রায় ৩৪ লাখ শিশু।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, নতুন কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে টিকাদান ক্যাম্প পরিচালনা করা হবে। উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসন, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। কর্মজীবী মায়েদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে ছুটির দিনেও টিকাদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং সন্ধ্যার পরও কার্যক্রম চালানোর কথা জানিয়েছেন তিনি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। WHO-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হাম প্রাদুর্ভাবের পর বাংলাদেশে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লক্ষ্য করে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ায় ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই টিকার আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি হাম আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসা এবং অপুষ্টি মোকাবিলায়ও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

WHO জানিয়েছে, ২০২৬ সালের হাম প্রাদুর্ভাবের পেছনে নিয়মিত টিকাদানে ঘাটতি এবং ২০২৪-২৫ সালে এমআর টিকার মজুত সংকটসহ বিভিন্ন কারণে শিশুদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। সংস্থাটি নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি শক্তিশালী করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : gbanglanews

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ ব্যাংককে একগুচ্ছ নির্দেশনা অর্থ মন্ত্রণালয়ের

রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ ব্যাংককে একগুচ্ছ নির্দেশনা অর্থ মন্ত্রণালয়ের