২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন ভারতের ব্যাটিং তারকা বিরাট কোহলি। ফাইনালেও করেছিলেন হাফ সেঞ্চুরি। তবে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। সেই আউটের স্মৃতি এখনো মনে গেঁথে আছে কোহলির।
সেদিন ৮১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর লোকেশ রাহুলকে নিয়ে ইনিংসের হাল ধরেন কোহলি। টপ অর্ডারের বিপর্যয়ের পর দুজন মিলে ৬৭ রানের জুটি গড়েন। কোহলি ৬৩ বলে ৫৪ রান করে ফিরে যান। পরে রাহুল ১০৭ বলে ৬৬ রান করেন। তবে তাঁর ইনিংসে রান তোলার গতি ছিল ধীর।
মূলত কোহলিকে আউট করেই ভারতকে বড় ধাক্কা দেন কামিন্স। শেষ পর্যন্ত ভারত ২৪০ রানে অলআউট হয় এবং অস্ট্রেলিয়া ছয় উইকেটে ম্যাচ জিতে ষষ্ঠবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তোলে।
২০২৫ সালে আইপিএল শিরোপা জেতার আগে পর্যন্ত ২০১৬ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে ফাইনালে হারের স্মৃতি যেভাবে মনে গেঁথে ছিল, একইভাবে ২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের কথাও মনে রেখেছেন কোহলি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আউট হওয়ার ঠিক আগেই আরও বড় অবদান রাখার চিন্তা করছিলেন বলেও জানান তিনি।
জিও স্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কোহলি বলেন, ‘২০২৫ সালে আমরা (রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু) আইপিএল জেতার আগে আমার ২০১৬ সালের ফাইনালের (যেটিতে আমরা সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হেরেছিলাম) কথা মনে পড়ত। বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়েও আমার একই অনুভূতি হয়।’
কোহলির বিশ্বাস ছিল, তিনি আরেকটু বড় ইনিংস খেলতে পারলে ফাইনালে ভারতকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যেতে পারতেন। তিনি বলেন, ‘আমি ৫৪ রানে খেলছিলাম এবং বড় একটি সেঞ্চুরি করার কথা ভাবছিলাম—যেন ১৪০-১৫০ রান করতে পারি। তাহলে আমরা ম্যাচ জেতার জন্য ভালো অবস্থানে থাকতাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘তখন ফাইনালে ৩০০-র বেশি সংগ্রহ পেতাম, আর আমাদের যে বোলিং, তাদের পরাস্ত করতে পারতাম। কিন্তু যখনই আমি প্যাট কামিন্সকে খেললাম, সেটি অনেক দিন ধরে মনে ছিল। আর এই ধরনের কিছু আপনি মনে করতেই থাকবেন।’
স্পোর্টস ডেস্ক