মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে ইরানের দেওয়া প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবটি সরাসরি নাকচ করে দিলেও কাতার ও ওমানের মধ্যস্থতায় তেহরান ওয়াশিংটনের সরকারি জবাবের অপেক্ষায় ছিল।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিসভার বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রের জবাব প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের কাছে পৌঁছে দেন।
ইরান সরকারের পক্ষ থেকে জবাব পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলেও মার্কিন চিঠিতে কী বলা হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত চলছে। যুদ্ধ বন্ধ এবং তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে তেহরান সাতটি শর্ত দিয়েছে।
ইরানের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, বিদেশে আটকে থাকা ইরানের অর্থ ফেরত দেওয়া, তেল বিক্রির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ প্রত্যাহার।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত শনিবার ইরানের প্রস্তাবের সমালোচনা করলেও কাতার ও ওমানের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত ছিল।
এদিকে মাঠের লড়াইয়ে বড় ধরনের সংঘর্ষ কিছুটা কমলেও হরমুজ প্রণালিতে ছোট জাহাজ দেখলে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস হামলা চালাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে দেশটির বিমানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে ইরানকে সহযোগিতা করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক