তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে’ যোগ দিতে ছয়টির বেশি দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার এ তথ্য জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, চুক্তিটি সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক এবং নতুন কোনো দেশকে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে বর্তমান তিন সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন।
গত ৭ আগস্ট মক্কায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
চুক্তির আওতায় গঠিত কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক বাহিনীর প্রধানেরা অংশ নেবেন।
সৌদি আরবে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার প্রেক্ষাপটে বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইসহাক দার জানিয়েছেন, নিউইয়র্কে ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়েছে। সেখানে হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যে সংঘাত নিরসনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দারের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীও হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যে সংঘাতের অবসান চান। তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে পাকিস্তানের অবস্থান জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।
চুক্তিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত তিন দেশের সম্মতির ভিত্তিতেই নেওয়া হবে। নতুন দেশগুলো যোগ দিতে আগ্রহ দেখালেও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।