ধর্ষণ চেষ্টাকারীকে ইট নিক্ষেপের সময় ওসি আহত, পাশের থানায় আশ্রয়

আপলোড সময় : ০৫-১০-২০২৬ ১০:৫৯:৩৬ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০৫-১০-২০২৬ ১০:৫৯:৩৬ পূর্বাহ্ন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নেওয়ার সময় স্থানীয়দের ছোড়া ইটের আঘাতে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে পঞ্চবটি চাঁদনী হাউজিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তি জাকির হোসেন (৬৫) চাঁদনী হাউজিংয়ের হাজির বাড়ির ভাড়াটিয়া। স্থানীয়দের অভিযোগ, রোববার রাতে তিনি নিজ ঘরে পঞ্চম শ্রেণির ওই স্কুলছাত্রীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, পাশের কক্ষের নারীরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। পরে আশপাশের বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে জড়ো হলে জাকির শিশুটিকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে দরজা বন্ধ করে ভেতরে অবস্থান নেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে।

এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেরাই জাকিরের বিচার দাবি করেন এবং তাকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে দাবি জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলমের নেতৃত্বে প্রায় ২০ থেকে ২২ জন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে যান।

পুলিশ জাকিরকে গাড়িতে তুলে নেওয়ার সময় স্থানীয়দের একাংশ তাকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে একটি ইটের আঘাতে ওসি মাহবুব আলমের মাথা ফেটে যায় এবং তিনি রক্তাক্ত হন।

পরে পুলিশ জাকিরকে নিয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় না গিয়ে পাশের সদর থানায় আশ্রয় নেয়। আহত ওসিকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল (ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল) নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম বলেন, জাকিরের বিরুদ্ধে শত শত এলাকাবাসী প্রতিবাদ জানান। পুলিশ সদস্যরা তাদের বুঝিয়ে শান্ত করে অভিযুক্তকে গাড়িতে তোলার সময় কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোক তাকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় ইটের আঘাতে তার মাথায় লাগে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়।

ওসি আরও বলেন, জাকিরের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক: শাকিলা জাহান
মোবাইল: ০১৩০১১০৪০৭০ ই-মেইল: info@gbanglanews.com

অফিস :

জি.এম বাংলা লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।

৫৬-৫৭, শরীফ ম্যানশন, মতিঝিল রোড, ঢাকা-১০০০