প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিশুদের মধ্যে অপার সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে। তাদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের উপযুক্ত সুযোগ করে দিতে পারলে দেশের ভিত্তি আরও মজবুত হবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিশুরা সুন্দরভাবে বেড়ে উঠলে দেশের ভিত্তি আরও মজবুত হবে।’ শিশুদের যার যে প্রতিভা রয়েছে, তা বিকাশের সুযোগ করে দিতে অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, শিশুদের শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার সুযোগ দিতে হবে। এতে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ আরও ভালোভাবে হবে।
তারেক রহমান বলেন, শিশুদের সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের দেশকে নেতৃত্ব দেবে। তাদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশের সুযোগ করে দিতে পারলে ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।’ শিশুদের পড়াশোনার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করে তাদের জন্য নিরাপদ, সুন্দর ও মানবিক পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান।
শিশুদের সৃজনশীলতার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতিভা বিকাশে আরও উৎসাহ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। স্কুল পর্যায় থেকেই বাংলা ভাষার পাশাপাশি অন্যান্য ভাষা শেখার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে শিশুদের আঁকা ৩৫টি ছবি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেওয়া হয়। সকালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে ১৫০ জন শিশু তাকে বরণ করে নেয়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
এবারের শিশু অধিকার দিবসের প্রতিপাদ্য ‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।