‘সাঈদী সাহেব একজন আল্লাহর ওলি ছিলেন। আমার বড় ভাই কেন এই কাজগুলো করেছেন, তা তিনি নিজেই জানেন।’ কথাগুলো বলেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর ছোট বোন হেনা পশারী।
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মানিক পশারী। তাঁর মৃত্যুর পর পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে তাঁর বাড়িতে গিয়ে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে পাওয়া গেছে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য। কেউ সাঈদীর প্রশংসা করেছেন, কেউ মানিক পশারীর সঙ্গে নিজেদের অতীত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। আবার কেউ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে মানিক পশারীর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটি অনেকটাই জনশূন্য।
রাতের আঁধারে দাফনের অভিযোগ
মানিক পশারীর বোন হেনা পশারী জানান, শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে তিনি ভাইয়ের অসুস্থতার খবর পান। পরে সকাল ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। মরদেহ পিরোজপুরে আনার পর পরিবারের সদস্যরা কবর খুঁড়তে শুরু করেন। তবে সন্ধ্যার পর কবরটি মাটি দিয়ে ভরাট করা অবস্থায় দেখতে পান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
হেনা পশারী বলেন, “রাত ১২টার দিকে আমরা দুই বোন আবার কবর খুঁড়ি। পরে রাত ২টার দিকে আমার ভাইয়ের স্ত্রী, মেয়ে ও পুলিশ মরদেহ নিয়ে আসে। এরপর দাফন করা হয়। দাফনের সময় এলাকার কোনো লোকজন ছিলেন না।”
সাঈদী সম্পর্কে নিজের মতামত জানিয়ে তিনি বলেন, “সাঈদী সাহেব একজন আল্লাহর ওলি ছিলেন। আমার বড় ভাই কেন এই কাজগুলো করেছেন, তা তিনি নিজেই জানেন। আমরা কখনো তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিনি।”
মানিক পশারীকে নিয়ে প্রতিবেশীদের বক্তব্য
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেক খান বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে মানিক পশারী বাড়িতে ছিলেন না। তাঁর ভাষ্য, মানিক এলাকায় প্রভাবশালী ছিলেন। রাতে দাফনের সময় তাঁরা উপস্থিত ছিলেন না; সকালে দাফনের খবর শুনেছেন।
সাঈদী প্রসঙ্গে আব্দুল মালেক বলেন, মুরব্বিদের কাছে শুনেছেন, ওই সময় সাঈদী মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছিলেন। তাঁর দাবি, সাঈদীর বিরুদ্ধে করা মামলাটি মিথ্যা ছিল।
প্রতিবেশী সাফিয়া বেগম অভিযোগ করেন, মানিক পশারীর বাড়ির পাশে জমি কিনে ঘর নির্মাণের সময় তাঁরা ভয়ভীতির শিকার হয়েছিলেন। পরে সমঝোতায় যেতে বাধ্য হন বলেও দা