মহেশখালীর দুই ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বাড়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৬১০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ হয়েছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, মোট সরবরাহের মধ্যে ১ হাজার ৬২০ এমএমসিএফডি এসেছে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে। বাকি ৯৯০ এমএমসিএফডি এসেছে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) থেকে।
সোমবার রাত থেকেই এলএনজি সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এর আগে সোমবার রাত ১০টায় মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৫৮২ এমএমসিএফডি। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাস ছিল ১ হাজার ৬০২ এবং আমদানি করা এলএনজি ছিল ৯৮০ এমএমসিএফডি।
এরও আগে একই দিন রাত ৮টায় মোট সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৩৬২ এমএমসিএফডি। তখন আমদানি করা এলএনজির সরবরাহ ছিল ৭৬২ এমএমসিএফডি।
সাম্প্রতিক সময়ে এক্সিলারেট এফএসআরইউতে দুর্ঘটনার কারণে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ ব্যাপকভাবে কমে গিয়েছিল। বর্তমানে সরবরাহের পরিমাণ সেই দুর্ঘটনার আগের পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
তবে সরবরাহ বাড়লেও দেশের মোট চাহিদার তুলনায় এখনো ঘাটতি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গত ৭ সেপ্টেম্বর জানিয়েছিলেন, দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ এমএমসিএফডি।
সে হিসাবে মঙ্গলবার দুপুরে ২ হাজার ৬১০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ হয়েছে, যা দৈনিক চাহিদার চেয়ে প্রায় ১ হাজার ১৯০ এমএমসিএফডি কম।
তিতুমীর তখন বলেছিলেন, দেশে প্রায় ১ হাজার ৬০০ এমএমসিএফডি দেশীয় গ্যাস এবং প্রায় ১ হাজার এমএমসিএফডি এলএনজি পাওয়া গেলে মোট সরবরাহ ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ এমএমসিএফডির মধ্যে থাকবে।
মঙ্গলবার দুপুরের হিসাবে দেশীয় ও আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহ সেই পর্যায়েই পৌঁছেছে।