সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ ২০২৯ সালে শেষ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

আপলোড সময় : ২৬-০৯-২০২৬ ০৯:২৫:৫৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৬-০৯-২০২৬ ০৯:২৫:৫৪ অপরাহ্ন

২০২৯ সালের জুনের মধ্যে সিলেট-ঢাকা ৬ লেন মহাসড়ক জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। একই সঙ্গে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সিলেটে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার সিলেটে পৃথক দুটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। নগরীর কুশিয়ারা কনভেনশন হলে সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠান এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জালালাবাদ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিলেট বিভাগের সার্বিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুণগত শিক্ষার প্রসার’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বক্তব্য দেন।

খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, আগের সরকারের সময়ে সিলেট-ঢাকা ৬ লেন মহাসড়ক প্রকল্পের পরিকল্পনা নেওয়া হলেও তখন প্রকল্পের অগ্রগতি ছিল মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ। এমনকি জমি অধিগ্রহণের কাজও শুরু হয়নি। বর্তমান সরকারের বিশেষ গুরুত্বের কারণে এখন ভূমি অধিগ্রহণের প্রায় ৫৬ শতাংশ এবং ভৌত কাজের প্রায় ২৭ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, মহাসড়কটি চালুর পাশাপাশি দক্ষিণ সুরমায় নতুন বিসিক শিল্পনগরীর সংলগ্ন সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের একটি অংশও চার লেনে উন্নীত করা হবে।

এর আগে সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক প্রকল্প পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জানিয়েছিলেন, প্রকল্পের ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে আটটির কাজ সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে এবং ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে মহাসড়কটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

প্রযুক্তি ও শিক্ষার উন্নয়নের বিষয়ে শিল্পমন্ত্রী বলেন, আইসিটি উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সিলেটে একটি এআই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তরুণদের ফ্রিল্যান্সিং ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

সিলেট নগরের আইনশৃঙ্খলা ও অবকাঠামো শক্তিশালী করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মুখ শনাক্তকরণ এবং রাতে নজরদারির সুবিধাসম্পন্ন সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।

সিলেটের শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের রিডিং ও নিউমেরেসি দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মিড-ডে মিল চালুর আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সেমিনারে সিলেটের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের ১২০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও সনদ দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানগুলোতে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. দিদার চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের শামীম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, এসএমপি কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরীসহ প্রশাসন, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক: শাকিলা জাহান
মোবাইল: ০১৩০১১০৪০৭০ ই-মেইল: info@gbanglanews.com

অফিস :

জি.এম বাংলা লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।

৫৬-৫৭, শরীফ ম্যানশন, মতিঝিল রোড, ঢাকা-১০০০