চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর নৌ সীমানায় নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তিনটি নৌকা ও প্রায় ২ হাজার বর্গমিটার অবৈধ জাল জব্দ করেছে প্রশাসন। এ সময় কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মাছ শিকারের অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সদর নৌ থানা পুলিশ ও সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক।
অভিযানকালে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ সময় তিনটি নৌকা ও প্রায় ২ হাজার বর্গমিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বরকত উল্লাহ সাতজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। অপর চারজনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাদের প্রত্যেককেও ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হক, সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানসহ সদর নৌ পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, দণ্ডপ্রাপ্তদের আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জব্দ করা নৌকা ও কারেন্ট জাল নৌ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।