ইয়েমেনে সেনাবাহিনীর অভিযানে ২৬০ হুতি যোদ্ধা নিহতের দাবি
ইয়েমেনের তাইজ ও লাহিজ প্রদেশের বিভিন্ন ফ্রন্টে হুতিদের সামরিক রসদ ও শক্তিবৃদ্ধি ঠেকাতে পরিচালিত ৯৭টি অভিযানে ২৬০ জন হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
রোববার এক বিবৃতিতে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আল-নুজাইলি বলেন, এসব অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, গোলন্দাজ কামান, ক্ষেপণাস্ত্র ও স্নাইপার ব্যবহার করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আরও বলেন, অভিযানে ৪৪টি সামরিক ও পরিবহন যান এবং বিভিন্ন ধরনের রসদ সরবরাহের সরঞ্জাম ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
‘ইয়েমেনের তাইজ ও লাহিজ প্রদেশের বিভিন্ন ফ্রন্টে হুতিদের সামরিক রসদ ও শক্তিবৃদ্ধি ঠেকাতে পরিচালিত ৯৭টি অভিযানে ২৬০ জন হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
এর কয়েক ঘণ্টা আগে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, দেশটির বিভিন্ন ফ্রন্টে পরিচালিত ২৫৭টি অভিযানে অন্তত ৭০০ হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন
কংগ্রেস হাতছাড়া হলে ডেমোক্র্যাটদের সব বিলে ভেটো দেবেন ট্রাম্প
সেনাবাহিনীর এসব দাবির বিষয়ে এখনো হুতিদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে নিহতের সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
মূল বিষয়গুলি
- ইয়েমেনের তাইজ ও লাহিজ প্রদেশের বিভিন্ন ফ্রন্টে হুতিদের সামরিক রসদ ও শক্তিবৃদ্ধি ঠেকাতে পরিচালিত ৯৭টি অভিযানে ২৬০ জন হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটি…
- রোববার এক বিবৃতিতে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আল-নুজাইলি বলেন, এসব অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, গোলন্দাজ কামান, ক্ষেপণাস্ত্র ও স্নাইপার ব্যবহার করা…
- সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আরও বলেন, অভিযানে ৪৪টি সামরিক ও পরিবহন যান এবং বিভিন্ন ধরনের রসদ সরবরাহের সরঞ্জাম ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- এর কয়েক ঘণ্টা আগে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, দেশটির বিভিন্ন ফ্রন্টে পরিচালিত ২৫৭টি অভিযানে অন্তত ৭০০ হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।
২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও দেশের বেশ কয়েকটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে দেশটিতে সংঘাত চলছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি জোট সামরিক হস্তক্ষেপ করে।
২০২২ সালে দুই পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ওই বছরের জুলাইয়ে তা ভেঙে পড়ে। এরপর থেকে ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় আবারও সংঘাত অব্যাহত রয়েছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।