ডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৫২৮, মামলা ৫৩
রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ৫৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান।
ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৩ জন, লালবাগে ৬৭, ওয়ারীতে ৭৫, মতিঝিলে ৫৩, তেজগাঁওয়ে ৭৩, মিরপুরে ১০২, গুলশানে ৫২, উত্তরা বিভাগে ৬৩, গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) ৯ এবং সিটিটিসিতে একজন রয়েছেন।
‘ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৩ জন, লালবাগে ৬৭, ওয়ারীতে ৭৫, মতিঝিলে ৫৩, তেজগাঁওয়ে ৭৩, মিরপুরে ১০২, গুলশানে ৫২, উত্তরা বিভাগে ৬৩, গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) ৯ এবং সিটিটিসিতে একজন রয়েছেন।’
— জি বাংলা ডেস্ক
অভিযানে ৩ কেজি ৫৯০ গ্রাম গাঁজা, ২১৮টি ইয়াবা, ২ দশমিক ৬ গ্রাম হেরোইন ও দুটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া একটি বাস, নয়টি মোবাইল ফোন, ২ হাজার ৬০০টি জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প, ৩ হাজার ৩৫৬টি নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প এবং নগদ ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩২ টাকা উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন
শ্রমিক-পুলিশ পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষে থমথমে মিরপুর
এ সময় ভেজাল ওষুধ ও প্রসাধনী তৈরির সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬২৭টি সিরাপ, ৬ হাজার ক্যাপসুল, ৩০টি ফেসওয়াশ, ৩১০টি শ্যাম্পু ও ৫ কেজি সাদা পাউডার।
মূল বিষয়গুলি
- রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো.
- ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৩ জন, লালবাগে ৬৭, ওয়ারীতে ৭৫, মতিঝিলে ৫৩, তেজগাঁওয়ে ৭৩, মিরপুরে ১০২, গুলশানে ৫২, উত্তরা বিভাগে ৬৩, গোয়েন্দা বিভাগে…
- অভিযানে ৩ কেজি ৫৯০ গ্রাম গাঁজা, ২১৮টি ইয়াবা, ২ দশমিক ৬ গ্রাম হেরোইন ও দুটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়া হাইজিন ওয়াশের ১৫০টি খালি মোড়ক ও বোতল, লেবেলবিহীন সিরাপের ৩০০টি বোতল, ক্যাপসুল ভরার একটি মেশিন, ছয়টি যন্ত্রাংশ এবং লেবেল লাগানোর দুটি ছাঁচ উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিএমপি জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য ও আলামত উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।