জমির বিরোধে প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আবীর (২২) নামে এক সৌদিপ্রবাসী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁর বাবা এনামুল মিয়া (৪৫) গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের পুরানবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামের বাসিন্দা এনামুল মিয়ার সঙ্গে স্থানীয় প্রভাবশালী বকুল মিয়ার ১০ শতাংশ কৃষিজমি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
‘স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামের বাসিন্দা এনামুল মিয়ার সঙ্গে স্থানীয় প্রভাবশালী বকুল মিয়ার ১০ শতাংশ কৃষিজমি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল।’
— জি বাংলা ডেস্ক
অভিযোগ রয়েছে, মঙ্গলবার বকুল মিয়ার লোকজন এনামুল মিয়ার বাড়িতে গিয়ে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাঁকে ও তাঁর ছেলে আবীরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন। ঘটনার সময় আবীর ঘুমিয়ে ছিলেন। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে এনামুল মিয়াও হামলার শিকার হন।
আরও পড়ুন
শ্রমিক-পুলিশ পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষে থমথমে মিরপুর
পরে স্থানীয় লোকজন আহত বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
মূল বিষয়গুলি
- নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আবীর (২২) নামে এক সৌদিপ্রবাসী নিহত হয়েছেন।
- মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের পুরানবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
- স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামের বাসিন্দা এনামুল মিয়ার সঙ্গে স্থানীয় প্রভাবশালী বকুল মিয়ার ১০ শতাংশ কৃষিজমি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
- অভিযোগ রয়েছে, মঙ্গলবার বকুল মিয়ার লোকজন এনামুল মিয়ার বাড়িতে গিয়ে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাঁকে ও তাঁর ছেলে আবীরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন।
মঙ্গলবার রাত ৮টার পর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবীরের মৃত্যু হয়। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত আছে। এখনো এ ঘটনায় কোনো মামলার অভিযোগ পাওয়া যায়নি।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।