মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে জাবি শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় অভিযোগ তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীর নাম সৈকত হালদার। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর ক্লাস রোল ১১৮৬। তিনি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
‘একটি আদেশে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সৈকত হালদারকে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮’-এর ৪(১)(খ) ধারা অনুযায়ী সাময়িকভাবে বহি…’
— জি বাংলা ডেস্ক
একটি আদেশে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সৈকত হালদারকে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮’-এর ৪(১)(খ) ধারা অনুযায়ী সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
এইচএসসি: বেশি বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সম্পূরক পরীক্ষা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা
অন্য আদেশে বলা হয়, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আপত্তিকর ও অবমাননাকর মন্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে অভিযোগ তদন্ত করে সুপারিশসহ ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
মূল বিষয়গুলি
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক ব…
- বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীর নাম সৈকত হালদার।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড.
- একটি আদেশে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সৈকত হালদারকে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ…
কমিটির সভাপতি করা হয়েছে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মানছুরকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ-জেইউ) অধ্যাপক ড. কে এম জাহিদুল ইসলাম এবং শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের ওয়ার্ডেন ড. মো. আলমগীর কবির। কমিটির সদস্যসচিব করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (সাধারণ প্রশাসন) মো. মাহতাব-উজ-জাহিদকে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়, অভিযোগটি দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ২৯৫(ক) ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধের আওতাভুক্ত হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তদন্ত করা হবে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।