গাজীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মসজিদসহ ২০ টি দোকান পুড়ে ছাই
গাজীপুরের শ্রীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি মসজিদ, ঝুট ও তুলার গুদামসহ বেশ কয়েকটি দোকান পুড়ে গেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার চন্নাপাড়া গ্রামের ২ নম্বর সিএন্ডবি বাজারে এ ঘটনা ঘটে। তবে প্রাথমিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নুরুল করিম জানান, রাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পরে শ্রীপুর ফায়ার স্টেশনের আরও একটি এবং রাজেন্দ্রপুর মডার্ন ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট যোগ দেয়।
তিনি জানান, চারটি ইউনিটের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
‘শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নুরুল করিম জানান, রাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
অগ্নিকাণ্ডে ঝুট ও তুলার গুদাম, স্যানিটারি দোকান, কয়েকটি মুরগির দোকান, ভাঙারির দোকান এবং একটি মসজিদ পুড়ে গেছে।
আরও পড়ুন
শ্রমিক-পুলিশ পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষে থমথমে মিরপুর
নুরুল করিম আরও জানান, আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।
মূল বিষয়গুলি
- গাজীপুরের শ্রীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি মসজিদ, ঝুট ও তুলার গুদামসহ বেশ কয়েকটি দোকান পুড়ে গেছে।
- শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নুরুল করিম জানান, রাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে…
- তিনি জানান, চারটি ইউনিটের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
- অগ্নিকাণ্ডে ঝুট ও তুলার গুদাম, স্যানিটারি দোকান, কয়েকটি মুরগির দোকান, ভাঙারির দোকান এবং একটি মসজিদ পুড়ে গেছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।