যুক্তরাষ্ট্রের আরও দুটি ড্রোন ভূপাতিতের দাবি ইরানের
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কেশম দ্বীপের দক্ষিণে যুক্তরাষ্ট্রের আরও দুটি ড্রোন অকার্যকর করার দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সোমবার (৩ নভেম্বর) ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে।
তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি এমকিউএম-১৭০ ড্রোন অকার্যকর করে দেয়। এ নিয়ে এ ধরনের মোট চারটি ড্রোন আটক বা ভূপাতিত করার দাবি করল ইরানের বাহিনী।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের অভিযানের কারণে ড্রোন দুটি নির্ধারিত মিশন সম্পন্ন করতে পারেনি। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
‘শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা জানায়, কেশম দ্বীপের আকাশে ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা ব্যবহার করে একটি এমকিউএম-১৭০ ড্রোন ভূপাতিত করেছে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স।’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
এর আগে গত সপ্তাহেও একই ধরনের দুটি ঘটনার কথা জানিয়েছিল ইরান। শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা জানায়, কেশম দ্বীপের আকাশে ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা ব্যবহার করে একটি এমকিউএম-১৭০ ড্রোন ভূপাতিত করেছে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স।
আরও পড়ুন
কংগ্রেস হাতছাড়া হলে ডেমোক্র্যাটদের সব বিলে ভেটো দেবেন ট্রাম্প
এর এক দিন আগে হরমুজ প্রণালির পশ্চিম অংশে একই ধরনের আরেকটি ড্রোনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করে আইআরজিসির নৌবাহিনী। তাদের দাবি, ড্রোনটি অক্ষত অবস্থায় অবতরণ করানো হয়। তবে বৃহস্পতিবারের ওই ঘটনার বিষয়ে ইরানের দাবি প্রত্যাখ্যান করে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
মূল বিষয়গুলি
- হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কেশম দ্বীপের দক্ষিণে যুক্তরাষ্ট্রের আরও দুটি ড্রোন অকার্যকর করার দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
- তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি এমকিউএম-১৭০ ড্রোন অকার্যকর করে দেয়।
- প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের অভিযানের কারণে ড্রোন দুটি নির্ধারিত মিশন সম্পন্ন করতে পারেনি।
- এর আগে গত সপ্তাহেও একই ধরনের দুটি ঘটনার কথা জানিয়েছিল ইরান।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। জবাবে ইরানও ইসরাইল এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনা ও সামরিক সম্পদ লক্ষ্য করে হামলা চালায়। পরে এপ্রিলে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
এরপর ১৮ জুন হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে। তবে প্রণালিটির নিরাপত্তা নিয়ে দুই পক্ষের মতপার্থক্যের কারণে চুক্তিটির বাস্তবায়ন থমকে যায়।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।