শ্রমিক-পুলিশ পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-সংঘর্ষে থমথমে মিরপুর
বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে শ্রমিকদের অবরোধে মিরপুরের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ টিয়ারগ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
জানা যায়, কয়েক দিনের আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকাল ১০টার আগে মিরপুরের সড়কে অবস্থান নেন পোশাকশ্রমিকরা। পরে পুলিশ তাঁদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
‘স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার দাবিতে শ্রমিকদের মধ্যে আগে থেকেই অসন্তোষ ছিল।’
— জি বাংলা ডেস্ক
এ সময় পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে আশপাশের বিভিন্ন গলিতে অবস্থান নেন। এতে কিছু সময়ের জন্য সড়কে যান চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হয়।
আরও পড়ুন
এক মাস পর মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান কারামুক্ত
তবে কিছুক্ষণ পর শ্রমিকরা আবার গলি থেকে বেরিয়ে মূল সড়কে আসার চেষ্টা করেন। এ পরিস্থিতিতে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মিরপুরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল।
মূল বিষয়গুলি
- বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।
- মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে শ্রমিকদের অবরোধে মিরপুরের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
- জানা যায়, কয়েক দিনের আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকাল ১০টার আগে মিরপুরের সড়কে অবস্থান নেন পোশাকশ্রমিকরা।
- এ সময় পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে আশপাশের বিভিন্ন গলিতে অবস্থান নেন।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার দাবিতে শ্রমিকদের মধ্যে আগে থেকেই অসন্তোষ ছিল। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।