ঢাকা , বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬ , ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য মন্ত্রণালয়ের আহ্বান জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার জবিতে ছাত্রদল-শিবির দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভিপি-জিএসকে মেরে বের করে দেওয়ার অভিযোগ স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের সুফল পৌঁছাতে হবে রোগীর দোরগোড়ায়: এমপি শফিকুল ইসলাম মিলন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা ৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত? মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নামআগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। সরকার ও দলীয় সূত্রের দাবি, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় ভূমিকার মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ছয় মাসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা দেখাতে পারেননি বা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়েছেন, তাদের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমানে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসম্পাদনের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এবং প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। এ ছাড়া টেকনোক্রেট কোটায় নতুন সদস্য, অতিরিক্ত উপদেষ্টা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দলের ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা এবং তরুণ সংসদ সদস্যদেরও মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি বা স্পিকার পদে নতুন করে কাউকে মনোনয়ন না দেওয়া হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমানের নাম সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে। সরকারের শরিক ও সমমনা দলগুলোর মধ্য থেকেও কয়েকজন নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছে সরকার। এ কারণে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, মন্ত্রীদের মূল্যায়নে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, জনভোগান্তি কমাতে নেওয়া উদ্যোগ, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সম্ভাব্য রদবদল ও আলোচিত ব্যক্তিদের নাম সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনায় রয়েছে। ছাত্র আন্দোলনের জেরে বিহার ও মধ্যপ্রদেশে মুখ থুবড়ে পড়ল বিজেপি নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই রাখার দাবিতে মানববন্ধন বলিউডকে আর আগের মতো ‘পরিবার’ মনে হয় না: সঞ্জয় দত্ত ইমরান খানকে মুক্তি দিতে পাকিস্তানে গোপন আলোচনা? পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র: সুবিধা ও কেনার নিয়ম দুবাইয়ে বেনজীরের জামিন নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগ দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৯০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রক্সি পরীক্ষায় চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে ৪৫তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্তসহ ৩ সরকারি চাকরিজীবী গ্রেফতার

জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে

  • আপলোড সময় : ০৪-০৮-২০২৬ ১০:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৮-২০২৬ ১০:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন
জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলন ছিল জনগণের আন্দোলন এবং জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের কারণেই সেটি সফল হয়েছে। তিনি বলেন, এ আন্দোলনের কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়; বরং দেশের সর্বস্তরের জনগণের।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)-এ আয়োজিত ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনিবার সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশে জুলাই-আগস্টে যে আন্দোলন হয়েছিল, তা ছিল সম্পূর্ণ জনগণের আন্দোলন। জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই এই আন্দোলন সফল হয়েছে। জনগণ যখন সম্পূর্ণভাবে এ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে, তখনই আন্দোলন সফল হয়েছে।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই আন্দোলনের সফলতার পুরো কৃতিত্ব দেশের সর্বস্তরের জনগণের। এটি কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের অর্জন নয়। গত ১৭ বছর ধরে বিএনপিসহ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে ছিল এবং কখনো জনগণকে একা রেখে মাঠ ছাড়েনি।”

দেশ পুনর্গঠনে সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আন্দোলন ও সংগ্রামের সময় শেষ, এখন দেশ পুনর্গঠনের সময়। ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ধৈর্যের সঙ্গে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার কাজ করছে।

সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপিই প্রথম রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রস্তাব সামনে আনে, যা পরবর্তীতে ৩১ দফায় রূপ নেয়। তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সময়ে প্রতিবছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে এবং ব্যাংকিং, স্বাস্থ্য ও কৃষিখাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে অধিকাংশ জেলায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যা এবং জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট চালু করা হবে। পাশাপাশি আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে উপজেলা পর্যায়েও ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

দেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের বাস্তবতা স্বীকার করে তিনি বলেন, সরকার অজুহাত দিয়ে দায়িত্ব এড়াতে চায় না। সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে নিরন্তর কাজ করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে জ্বালানি খাত ব্যাপক লুটপাটের শিকার হয়েছে, ফলে সেই খাত পুনর্গঠনে সময় লাগবে।

গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে মালয়েশিয়াও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং বিভাজিত প্রশাসনিক কাঠামো পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ধাপে ধাপে রাষ্ট্রীয় কাঠামো পুনর্গঠনের কাজ চলছে।

বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনে জনগণ এ কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তাই এটি এখন শুধু বিএনপির নয়, বরং জনগণের ৩১ দফা। এর মূল লক্ষ্য জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি রাষ্ট্র পুনর্গঠন।

বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য দেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : M Mehedi Hasan Arif

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নামআগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। সরকার ও দলীয় সূত্রের দাবি, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় ভূমিকার মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ছয় মাসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা দেখাতে পারেননি বা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়েছেন, তাদের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে।  সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমানে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসম্পাদনের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এবং প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।  এ ছাড়া টেকনোক্রেট কোটায় নতুন সদস্য, অতিরিক্ত উপদেষ্টা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দলের ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা এবং তরুণ সংসদ সদস্যদেরও মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।  রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি বা স্পিকার পদে নতুন করে কাউকে মনোনয়ন না দেওয়া হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমানের নাম সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।  এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে।  সরকারের শরিক ও সমমনা দলগুলোর মধ্য থেকেও কয়েকজন নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে।  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছে সরকার। এ কারণে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।  সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, মন্ত্রীদের মূল্যায়নে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, জনভোগান্তি কমাতে নেওয়া উদ্যোগ, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।  তবে এ বিষয়ে সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সম্ভাব্য রদবদল ও আলোচিত ব্যক্তিদের নাম সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনায় রয়েছে।

মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নামআগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা জোরালো হয়েছে। সরকার ও দলীয় সূত্রের দাবি, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় ভূমিকার মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ছয় মাসে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা দেখাতে পারেননি বা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়েছেন, তাদের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমানে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসম্পাদনের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এবং প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। এ ছাড়া টেকনোক্রেট কোটায় নতুন সদস্য, অতিরিক্ত উপদেষ্টা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দলের ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা এবং তরুণ সংসদ সদস্যদেরও মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি বা স্পিকার পদে নতুন করে কাউকে মনোনয়ন না দেওয়া হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমানের নাম সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে। সরকারের শরিক ও সমমনা দলগুলোর মধ্য থেকেও কয়েকজন নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছে সরকার। এ কারণে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, মন্ত্রীদের মূল্যায়নে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, জনভোগান্তি কমাতে নেওয়া উদ্যোগ, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে সম্ভাব্য রদবদল ও আলোচিত ব্যক্তিদের নাম সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনায় রয়েছে।

দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য মন্ত্রণালয়ের আহ্বান

দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য মন্ত্রণালয়ের আহ্বান