সোনাহাট স্থলবন্দরে ৭ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দরে টানা সাত দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনাহাট স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক বদিউজ্জামান।
সোনাহাট স্থলবন্দর কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম আকমলের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ছুটির বিষয়টি জানানো হয়েছে।
‘সোনাহাট স্থলবন্দর কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম আকমলের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ছুটির বিষয়টি জানানো হয়েছে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
চিঠি অনুযায়ী, শনিবার (১৭ অক্টোবর) থেকে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পর্যন্ত বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ছুটি শেষে শনিবার (২৪ অক্টোবর) থেকে দুই দেশের মধ্যে পুনরায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।
আরও পড়ুন
বাসের ধাক্কায় শিক্ষার্থী নিহত, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেললাইন অবরোধ
সহকারী পরিচালক বদিউজ্জামান জানান, ভারতীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এবং দুই দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের পক্ষ থেকে ছুটির বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে ১৭, ১৮ ও ১৯ অক্টোবর বন্দরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম এবং কাস্টমসের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। ২৪ অক্টোবর থেকে সোনাহাট স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আবারও শুরু হবে।
মূল বিষয়গুলি
- আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দরে টানা সাত দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
- বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনাহাট স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক বদিউজ্জামান।
- সোনাহাট স্থলবন্দর কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম আকমলের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ছুটির বিষয়টি জানানো…
- চিঠি অনুযায়ী, শনিবার (১৭ অক্টোবর) থেকে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পর্যন্ত বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।