মোংলার পথে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা থেকে বাগেরহাটের মোংলার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে মোংলা যাচ্ছেন। সেখানে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে তিনি সড়কপথে খুলনা যাবেন এবং জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। বিকেলে হেলিকপ্টারে তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।’
‘সেখানে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে তিনি সড়কপথে খুলনা যাবেন এবং জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।’
— জি বাংলা ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টায় তিনি মোংলা বন্দরে পৌঁছাবেন। সেখানে ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সকাল সাড়ে ১০টায় বন্দরে দুটি কনটেইনার জেটির নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।
আরও পড়ুন
মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বাগত জানালেন মন্ত্রী-এমপিরা
এরপর বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে মোংলা বন্দর থেকে সড়কপথে বাগেরহাটের হজরত খান জাহান আলীর (রহ.) মাজারের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে মাজার জিয়ারত করবেন তিনি।
মূল বিষয়গুলি
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা থেকে বাগেরহাটের মোংলার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
- প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন।
- তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে মোংলা যাচ্ছেন।
- প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টায় তিনি মোংলা বন্দরে পৌঁছাবেন।
বেলা ১টা ১৫ মিনিটে সড়কপথে খুলনার উদ্দেশে রওনা হয়ে বেলা ২টা ১৫ মিনিটে খুলনা সার্কিট হাউসে যাত্রাবিরতি করবেন প্রধানমন্ত্রী।
বিকেল ৩টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টায় হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে তেজগাঁও বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে তাঁর।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।