৭ নভেম্বরের ছুটি নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী শনিবার (৭ নভেম্বর) সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দিবসটি উদযাপনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এসব কর্মসূচিতে অংশ নিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে।
গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মাউশির সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে সরকার নির্ধারিত কর্মসূচি পালন করতে হবে। এর অংশ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।
‘এর অংশ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
এ ছাড়া আলাদা আরেকটি চিঠিতে দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বাগত জানালেন মন্ত্রী-এমপিরা
এর আগে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। তবে এবার দিনটি শনিবার হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা অতিরিক্ত ছুটি পাচ্ছেন না।
মূল বিষয়গুলি
- জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী শনিবার (৭ নভেম্বর) সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
- গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মাউশির সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো.
- চিঠিতে বলা হয়েছে, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে সরকার নির্ধারিত কর্মসূচি পালন করতে হবে।
- এ ছাড়া আলাদা আরেকটি চিঠিতে দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি ছুটি থাকলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দিবসটি উদযাপনের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠানে গিয়ে এসব কর্মসূচিতে অংশ নিতে হবে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।