গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি নিয়ে যা বললেন পরীমনি
ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁর জামিন বাতিল করা হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান এ আদেশ দেন।
নিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর গণমাধ্যমকে পরীমনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (আজ) আদালতে যাব, যেহেতু পরোয়ানা জারি করে ফেলেছে। কিছুই তো করার নেই।’
‘এর আগে ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে বোট ক্লাবের তৎকালীন সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।’
— বিনোদন ডেস্ক
মামলাটিকে ঘিরে প্রচণ্ড হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরীমনি বলেন, মামলার কারণে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁকে। ‘এই জীবনে যা হচ্ছে, এসব তো খুব একটা আরামের না।’
আরও পড়ুন
ঢাকাই সিনেমায় বলিউডের খলনায়ক মুকেশ ঋষি
পরীমনির অভিযোগ, মামলাটির তদন্ত ঠিকমতো হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘তদন্তটা ঠিকঠাক হওয়া দরকার। এটা কি তাহলে সারা জীবন চলবে?’
মূল বিষয়গুলি
- ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
- বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান এ আদেশ দেন।
- নিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর গণমাধ্যমকে পরীমনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (আজ) আদালতে যাব, যেহেতু পরোয়ানা জারি করে ফেলেছে।
- মামলাটিকে ঘিরে প্রচণ্ড হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। সেদিন বাদীপক্ষ আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন করে। অন্যদিকে, পরীমনির আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, অ্যালার্জিজনিত রোগে আক্রান্ত থাকায় তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি। পরে আদালত বাদীপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে পরীমনির জামিন বাতিল এবং তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি এ মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। সেদিনও পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।
২০২৪ সালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (পিবিআই) ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে পরীমনি ও তাঁর কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা বলা হয়। তবে অপর আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
পরে আদালত পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে পরীমনি ও জিমকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। ২০২৪ সালের ২৫ জুন তাঁরা ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।
এর আগে ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে বোট ক্লাবের তৎকালীন সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। অন্য দুই আসামি হলেন পরীমনির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।
মামলার এজাহারে নাসির উদ্দিন মাহমুদ অভিযোগ করেন, পরীমনি ও তাঁর সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে গিয়ে অ্যালকোহল পান করেন এবং ক্লাবের সম্পত্তি ভাঙচুর করেন। এ ছাড়া তাঁরা মূল্য পরিশোধ না করে বিভিন্ন ক্লাব থেকে অ্যালকোহল নিয়ে যান বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসব অভিযোগের পাশাপাশি পরীমনির বিরুদ্ধে পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানির ভয় দেখানোর অভিযোগও করেন বাদী।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।