‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পুলিশের গাড়িতে ককটেল নিক্ষেপ, পুলিশ সদস্য আহত
রাজধানীর কুর্মিটোলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল মিছিল থেকে পুলিশের টহল গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে গাড়ির চালক কনস্টেবল মো. এনামুল আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বিমানবন্দর সড়কে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের একটি মোটরসাইকেল মিছিল থেকে আর্মি গলফ ক্লাবের সামনে দায়িত্ব পালনরত পুলিশের টহল গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে গাড়ির চালক কনস্টেবল এনামুল আহত হন।
‘ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের একটি মোটরসাইকেল মিছিল থেকে আর্মি গলফ ক্লাবের সামনে দায়িত্ব পালনরত পুলিশের টহল গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়।’
— ইসলাম ও জীবন ডেস্ক
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের পরিচয় ও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা যাচাই করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে হামলায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন
৩৫ বছর পর পিরোজপুর জেলায় জামায়াতের নতুন আমির
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বনানীর দিক থেকে ৭০ থেকে ৮০টি মোটরসাইকেলের একটি বহর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে কুড়িল বিশ্বরোডের দিকে যাচ্ছিল। বহরটি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে পৌঁছালে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি ক্যান্টনমেন্ট থানা-পুলিশের ‘গলফ ক্লাব-৮৩’ নামের টহল গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করেন।
মূল বিষয়গুলি
- রাজধানীর কুর্মিটোলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল মিছিল থেকে পুলিশের টহল গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
- বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বিমানবন্দর সড়কে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
- ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের একটি মোটরসাইকেল মিছিল থেকে আর্মি গলফ ক্লাবের সামনে দায়িত্ব পালন…
- তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
বিস্ফোরণে গাড়ির চালক কনস্টেবল মো. এনামুলের বাঁ চোখে সামান্য আঘাত লাগে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে আগারগাঁওয়ের জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।