ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’
বাতাসে ক্ষতিকর ধূলিকণার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে ঢাকার বায়ুমান সূচক (একিউআই) ছিল ১৯৬, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত।
আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, একই সময়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম অবস্থানে ছিল ভারতের রাজধানী দিল্লি। শহরটির একিউআই স্কোর ছিল ৫২৯। ২৭৫ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল পাকিস্তানের লাহোর।
এ ছাড়া ২৩৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিল ভারতের কলকাতা এবং ১৬৮ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে ছিল আফগানিস্তানের কাবুল। আইকিউএয়ারের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, কলকাতার বাতাস ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং কাবুলের বাতাস সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’।
‘আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, একই সময়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম অবস্থানে ছিল ভারতের রাজধানী দিল্লি।’
— জি বাংলা ডেস্ক
বায়ুমানের আন্তর্জাতিক সূচক অনুযায়ী, একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ হলে বাতাসের মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি’ এবং ১০১ থেকে ১৫০ হলে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০-কে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১ থেকে ৪০০-কে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
আরও পড়ুন
নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে দুটি ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
এ ধরনের দূষিত বাতাসে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা তাঁদের ঘরের ভেতরে থাকার এবং অন্যদের বাইরের কার্যক্রম সীমিত রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
মূল বিষয়গুলি
- বাতাসে ক্ষতিকর ধূলিকণার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা।
- আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, একই সময়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম অবস্থানে ছিল ভারতের রাজধানী দিল্লি।
- এ ছাড়া ২৩৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিল ভারতের কলকাতা এবং ১৬৮ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে ছিল আফগানিস্তানের কাবুল।
- বায়ুমানের আন্তর্জাতিক সূচক অনুযায়ী, একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ হলে বাতাসের মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।