মন্ত্রিসভায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের ‘৬০ মিনিটস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি মন্ত্রিসভার কাউকে বরখাস্ত করার পরিকল্পনা করছেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, করছি। কিছুটা পরিবর্তন আনব।’
‘যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি আমার মন্ত্রিসভার সদস্যদের পছন্দ করি। আমার মনে হয়, তাঁরা ভালো কাজ করছেন। তবে আমি হয়তো কয়েকটি পরিবর্তন আনব।’
আরও পড়ুন
ঘুমিয়েই জিতলেন সাড়ে ৯ লাখ টাকা!
এর আগে হোয়াইট হাউসের গুরুত্বপূর্ণ পদেও পরিবর্তনের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তিনি জানান, তাঁর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার নতুন চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। তিনি সুসি ওয়াইলসের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
মূল বিষয়গুলি
- যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম…
- শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের ‘৬০ মিনিটস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
- সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি মন্ত্রিসভার কাউকে বরখাস্ত করার পরিকল্পনা করছেন কি না।
- ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি আমার মন্ত্রিসভার সদস্যদের পছন্দ করি।
অন্যদিকে, এত দিন হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালন করা সুসি ওয়াইলস ট্রাম্পের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার দায়িত্বে যুক্ত হবেন বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলের পর মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদলের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প।
সিবিএস নিউজের ‘৬০ মিনিটস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারটি আগামীকাল রোববার (৮ নভেম্বর) প্রচারিত হওয়ার কথা রয়েছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।