আজ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ৬ ঘণ্টা টোল লাগবে না
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) ছয় ঘণ্টা টোল ছাড়াই ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করতে পারবেন চালকেরা। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সব ধরনের অনুমোদিত যানবাহনের জন্য এ সুবিধা কার্যকর থাকবে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী যানবাহনকে কোনো টোল দিতে হবে না। দুপুর ১২টার পর থেকে আবার নিয়মিত হারে টোল আদায় করা হবে।
নিয়মিত টোলের হার অনুযায়ী, কার, ট্যাক্সি, এসইউভি, ১৬ আসনের কম মাইক্রোবাস ও ৩ টনের কম হালকা ট্রাকের জন্য ৮০ টাকা নির্ধারিত। ১৬ আসন বা তার বেশি আসনের বাসের টোল ১৬০ টাকা। ছয় চাকা পর্যন্ত মাঝারি ট্রাকের জন্য ৩২০ টাকা এবং ছয় চাকার বেশি ভারী ট্রাকের জন্য ৪০০ টাকা টোল দিতে হয়।
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) ছয় ঘণ্টা টোল ছাড়াই ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করতে পারবেন চালকেরা।’
— জি বাংলা ডেস্ক
রিকশা, মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মতো দুই ও তিন চাকার যানবাহন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচল করতে পারে না।
আরও পড়ুন
নবাগত রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে ফুলের শুভেচ্ছা জানালেন আরএমপি কমিশনার
সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির (পিপিপি) ভিত্তিতে বাস্তবায়িত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিমানবন্দরসংলগ্ন কাওলা থেকে এফডিসি পর্যন্ত অংশটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
মূল বিষয়গুলি
- জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) ছয় ঘণ্টা টোল ছাড়াই ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করতে পারবেন চালকেরা।
- বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
- নিয়মিত টোলের হার অনুযায়ী, কার, ট্যাক্সি, এসইউভি, ১৬ আসনের কম মাইক্রোবাস ও ৩ টনের কম হালকা ট্রাকের জন্য ৮০ টাকা নির্ধারিত।
- রিকশা, মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মতো দুই ও তিন চাকার যানবাহন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচল করতে পারে না।
নকশা অনুযায়ী, কাওলা থেকে তেজগাঁও, মগবাজার ও কমলাপুর হয়ে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়েটি বিস্তৃত হওয়ার কথা। তবে পুরো প্রকল্পের কাজ এখনো শেষ হয়নি। বর্তমানে চালু অংশেই নিয়মিত যান চলাচল করছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।