এনসিপিতে যোগ না দেওয়ার কারণ জানালেন আব্দুল কাদের
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের জানিয়েছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়ার প্রস্তাব পেলেও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা ও কার্যকর ভূমিকার সুযোগ না দেখায় তিনি দলটিতে যোগ দেননি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অনেক ছাত্রনেতা নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিতে যোগ দিলেও তিনি সচেতনভাবেই ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আব্দুল কাদের বলেন, ‘এখনই এমপি বা মন্ত্রী হতে হবে— এমন কোনো চিন্তা আমার নেই। জুলাইয়ের আগে যা বলতাম, তা-ই করার চেষ্টা করতাম। কিন্তু এখন রাজনীতিতে দায়বদ্ধতার বিষয়টি অনেকটাই দুর্বল হয়ে গেছে। অনেকে যা বলছেন, বাস্তবে তা করছেন না। এ কারণেই আমি এখন কোনো রাজনৈতিক দলে যুক্ত হইনি।’
‘আমার মনে হয়েছে, সেখানে দায় নিতে হবে, কিন্তু কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ নেই।’ আব্দুল কাদের আরও বলেন, এনসিপি ছাড়াও মূলধারার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং কয়েকটি বামপন্থি দল থেকেও তাকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।’
— জি বাংলা ডেস্ক
তিনি জানান, এনসিপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব পেয়ে নিজের সম্ভাব্য দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে তাকে নিজ নির্বাচনী আসন গোছানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আসন গোছানোর রাজনীতি আমি করতে চাইনি। আমার মনে হয়েছে, সেখানে দায় নিতে হবে, কিন্তু কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ নেই।’
আরও পড়ুন
পোশাকশিল্পে অস্থিরতা: সরকারকে যে পরামর্শ দিলেন জামায়াত আমির
আব্দুল কাদের আরও বলেন, এনসিপি ছাড়াও মূলধারার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং কয়েকটি বামপন্থি দল থেকেও তাকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। তবে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিনি আশাবাদী নন বলে আপাতত কোনো দলে যোগ দিচ্ছেন না।
মূল বিষয়গুলি
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের জানিয়েছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়ার প্রস্তাব পেলেও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা ও কার্যকর ভূমিকা…
- সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অনেক ছাত্রনেতা নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিতে যোগ দিলেও তিনি সচেতনভাবেই ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
- আব্দুল কাদের বলেন, ‘এখনই এমপি বা মন্ত্রী হতে হবে— এমন কোনো চিন্তা আমার নেই।
- তিনি জানান, এনসিপিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব পেয়ে নিজের সম্ভাব্য দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন।
ব্যক্তিগত জীবন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরিবারের বড় সন্তান হিসেবে এতদিন পরিবারের প্রতি যথেষ্ট সময় দিতে পারেননি। তাঁর বাবা পেশায় দারোয়ান এবং মা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। সম্প্রতি নানীর মৃত্যুর পর পরিবারকে আরও বেশি সময় দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তিনি উপলব্ধি করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক মানুষ, রাজনীতি অবশ্যই করব। তবে আপাতত কিছুটা বিরতি নিয়ে পরিবারকে সময় দিতে চাই।’






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।