খলচরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছার কথা জানালেন পূর্ণিমা
দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ঢালিউডে সফল ক্যারিয়ার গড়ে তোলা অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা এবার খলচরিত্রে অভিনয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে মূলত ইতিবাচক ও রোমান্টিক চরিত্রে দর্শকদের মন জয় করলেও ক্যারিয়ারের এ পর্যায়ে এসে নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চান তিনি।
সম্প্রতি নিজের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পূর্ণিমা বলেন, তিনি পর্দায় এমন একটি খলচরিত্রে অভিনয় করতে চান, যা দর্শকের মনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে।
পূর্ণিমার ভাষায়, “আমার খুব ইচ্ছা খলনায়িকা বা ভিলেন টাইপ চরিত্রে অভিনয় করার। পর্দায় এমন একটি চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে চাই, যার প্রতি মানুষের তীব্র ঘৃণা তৈরি হবে।”
‘তবে এবার এর বিপরীতে কিছু হলে খুব ভালো হতো।” দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করা পূর্ণিমা মনে করেন, একজন শিল্পীর জন্য বৈচিত্র্যময় চরিত্রে কাজ করার সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ।’
— জি বাংলা ডেস্ক
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত তাকে কোনো খলচরিত্রে দেখা যায়নি। তার ধারণা, নির্মাতারা হয়তো তাকে এমন চরিত্রে কল্পনা করেননি।
আরও পড়ুন
মাদক মামলায় ফেঁসেছিল সারা, আমি ওর পাশে ছিলাম: ওরি
অভিনেত্রীর ভাষ্য, “সবাই ভাবেন আমার চেহারার সঙ্গে নেতিবাচক চরিত্র ঠিক জমবে না। দর্শকেরা আমাকে রোমান্টিক ও পরিপাটি লুকে দেখতেই অভ্যস্ত। তবে এবার এর বিপরীতে কিছু হলে খুব ভালো হতো।”
মূল বিষয়গুলি
- দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ঢালিউডে সফল ক্যারিয়ার গড়ে তোলা অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা এবার খলচরিত্রে অভিনয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
- সম্প্রতি নিজের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পূর্ণিমা বলেন, তিনি পর্দায় এমন একটি খলচরিত্রে অভিনয় করতে চান, যা দর্শকের মনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে।
- পূর্ণিমার ভাষায়, “আমার খুব ইচ্ছা খলনায়িকা বা ভিলেন টাইপ চরিত্রে অভিনয় করার।
- তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত তাকে কোনো খলচরিত্রে দেখা যায়নি।
দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করা পূর্ণিমা মনে করেন, একজন শিল্পীর জন্য বৈচিত্র্যময় চরিত্রে কাজ করার সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভবিষ্যতে ভিন্নধর্মী ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয়ের প্রত্যাশা করছেন তিনি।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।