১০ই অক্টোবর, শনিবার, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২৫শে আশ্বিন, শরৎকাল, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৯শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি
ডিএসই শেয়ারবাজার
DSEX: ৫,২৮৪.৩২ -৪৯.২৬ | DS30: ২,০২১.৮৫ -২০.২৮ | লেনদেন: ৫,৬৫৮.২৭ কোটি টাকা | স্বর্ণের দর: ২,২৯,০৮১ টাকা | ইউএস ডলার: ১২০.৫০ +০.১৫ | DSEX: ৫,২৮৪.৩২ -৪৯.২৬
জাতীয়

মাদক নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরী করতে হবে: ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান

মাদক নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরী করতে হবে: ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান
‘পলিসি ডায়ালগ অন এ ড্রাগ ফ্রি বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড অ্যাকশন’ শীর্ষক এক নীতিসংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে।

মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু অভিযান পরিচালনা কিংবা বাহক ও খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। মাদকের মূল সরবরাহকারী, অর্থের জোগানদাতা ও নেপথ্যের প্রভাবশালী চক্রকে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করতে একটি সমন্বিত কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি (চলতি দায়িত্ব) ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে ‘পলিসি ডায়ালগ অন এ ড্রাগ ফ্রি বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড অ্যাকশন’ শীর্ষক নীতিসংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য রাষ্ট্র, প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

‘মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে ‘পলিসি ডায়ালগ অন এ ড্রাগ ফ্রি বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড অ্যাকশন’ শীর্ষক নীতিসংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।’

— জি বাংলা ডেস্ক

অনুষ্ঠানে রেলওয়ে পুলিশপ্রধান বলেন, মাদক কারবারিরা পরিবহনের বিভিন্ন মাধ্যমকে নিজেদের নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজে ব্যবহার করে। রেলপথও তাদের কাছে মাদক পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট হয়ে উঠতে পারে। বিশাল রেল নেটওয়ার্ক, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রীর চলাচল এবং বিভিন্ন স্টেশনে মানুষের অবাধ যাতায়াতের কারণে নজরদারি বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রেলওয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন বন্ধ গার্মেন্টস কারখানা শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বন্ধ গার্মেন্টস কারখানা শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় ১২ ঘণ্টা আগে

তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু বাহককে গ্রেপ্তার করলে হবে না। কারা মাদকের চালান সংগ্রহ করছে, কারা অর্থায়ন করছে এবং কারা নেপথ্যে থেকে পুরো নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে, তা খুঁজে বের করতে হবে। মাদক কারবারিদের তথ্য নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে, যাতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দ্রুত একজন মাদক কারবারিকে শনাক্ত করতে পারে। এ ক্ষেত্রে গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি।

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে দিন

আপনার পণ্য বা সেবার প্রচারে যোগাযোগ করুন

মূল বিষয়গুলি

  • মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু অভিযান পরিচালনা কিংবা বাহক ও খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।
  • মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে ‘পলিসি ডায়ালগ অন এ ড্রাগ ফ্রি বাংলা…
  • অনুষ্ঠানে রেলওয়ে পুলিশপ্রধান বলেন, মাদক কারবারিরা পরিবহনের বিভিন্ন মাধ্যমকে নিজেদের নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজে ব্যবহার করে।
  • তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু বাহককে গ্রেপ্তার করলে হবে না।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু ডিগ্রি দেওয়ার প্রতিষ্ঠান নয়; শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার জায়গাও। মাদক প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম, কাউন্সেলিং ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা চালু করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কেউ মাদকে জড়িয়ে পড়লে তাকে শুধু শাস্তির আওতায় আনার কথা না ভেবে কেন সে মাদকের দিকে ঝুঁকছে, তা চিহ্নিত করতে হবে। শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যোগাযোগ বাড়াতে হবে। ক্যাম্পাস ও এর আশপাশে মাদক কেনাবেচা বন্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

ঢাকা মেইলের নির্বাহী সম্পাদক হারুন জামিল বলেন, মাদক নিয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে শুধু অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করলে তাঁর সামাজিক পুনর্বাসনের পথ কঠিন হয়ে পড়ে। মাদকাসক্তি একটি চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা। তাই মাদক কারবারি ও মাদকাসক্ত ব্যক্তির মধ্যে পার্থক্য করে সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।

তিনি বলেন, মাদকের বিস্তার রোধে সবাইকে আলাদা আলাদা দূত হিসেবে কাজ করতে হবে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। তবে এ উদ্যোগ এখনো যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

হারুন জামিল আরও বলেন, হতাশা ও মূল্যবোধের অভাব থেকে মানুষ মাদকের দিকে ঝুঁকতে পারে। মানুষের হতাশা কাটাতে মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে হবে। ধর্মীয় অনুশাসনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, মানুষকে আগে মানুষ হতে হবে; তবেই নতুন প্রজন্মকে মাদকের বিস্তার থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক কর্নেল (অব.) কাজী শরীফ উদ্দিন বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি গোয়েন্দা সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। মাদক কারবারের সঙ্গে প্রভাবশালী মহলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। শুধু দৃশ্যমান অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে মাদকের বিস্তার বন্ধ করা যাবে না। মাদক সরবরাহের অর্থনৈতিক ও সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে দিতে হবে।

তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক পরিচয়ের কারণে কেউ যেন আইনের বাইরে থাকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাবের মো. সোয়াইব বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলেও শুধু অভিযান দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়। অভিযানের পাশাপাশি মাদকের উৎস, সরবরাহব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, মাদক কারবারিদের বিষয়ে সাধারণ মানুষ অনেক সময় তথ্য দিতে ভয় পান। অভিযোগ করার পর নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ থাকে। এ ক্ষেত্রে অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তথ্যদাতাদের আস্থায় নেওয়া জরুরি। এ জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসন ‘হ্যালো ডিসি’ নামে একটি নাগরিক সেবার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।

রাজধানীর কন্টিনেন্টাল হসপিটালের মনোরোগ বিভাগের চিফ কনসালট্যান্ট ডা. এস এম কবির জুয়েল বলেন, মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে শুধু ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এর সঙ্গে কাউন্সেলিং, পারিবারিক সহযোগিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি মনোসামাজিক চিকিৎসা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, মাদকাসক্তির চিকিৎসায় রোগীর পাশাপাশি পরিবারকেও সম্পৃক্ত করতে হবে। চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরও পুনরায় মাদকে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। এ জন্য নিয়মিত ফলোআপ, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা থাকা জরুরি।

দেশে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকেন্দ্রগুলোর মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রশিক্ষিত চিকিৎসক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও কাউন্সেলরের সংখ্যা বাড়াতে হবে। চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোর মান নিয়ন্ত্রণ এবং সেবার মান নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে সামাজিকভাবে হেয় না করে চিকিৎসা ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দিতে হবে।

জাতীয় থেকে আরও

প্রসব জটিলতায় সেনাবাহিনীর সহায়তা, গাড়িতেই জন্ম নিল কন্যাসন্তান প্রসব জটিলতায় সেনাবাহিনীর সহায়তা, গাড়িতেই জন্ম নিল কন্যাসন্তানবান্দরবানের রুমা উপজেলায় প্রসবজনিত জটিলতায় পড়া বম সম্প্রদায়ের এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সেনাবাহিনীর গাড়িতেই জন্ম নিয়েছে… ১৪ ঘণ্টা আগে মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামানের শপথ আজ মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামানের শপথ আজঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা ফয়সল আমীন এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৩-এর উপনির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এলিজা… ১৪ ঘণ্টা আগে বাণিজ্য ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য বাণিজ্য ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যবাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য। ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী… ১৪ ঘণ্টা আগে সোলার এক্সপোয় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সোলার এক্সপোয় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীবাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ) সকালে… ১৪ ঘণ্টা আগে

মন্তব্য (৩)

  • রা
    রাহাত মিয়া২ ঘণ্টা আগে

    ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।

  • সু
    সুমাইয়া আক্তার৫ ঘণ্টা আগে

    দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।

  • তা
    তানভীর হোসেন৮ ঘণ্টা আগে

    সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

বঞ্চনামূলক বা ঘৃণ্য ভাষা ব্যবহার করে মন্তব্য দিলে তা প্রত্যাখ্যাত হবে।
সংবাদ সংক্ষেপে

মাদক নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরী করতে হবে: ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান

৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৩ এএম · জাতীয়

মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু অভিযান পরিচালনা কিংবা বাহক ও খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। মাদকের মূল সরবরাহকারী, অর্থের জোগানদাতা ও নেপথ্যের প্রভাবশালী চক্রকে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করতে একটি সমন্বিত কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ।

ফটোকার্ড

মাদক নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরী করতে হবে: ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান

'মাদক নিয়ন্ত্রণে
কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরী করতে হবে'

'মাদক নিয়ন্ত্রণে
কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরী করতে হবে'

শিরোনাম