পোশাক খাতের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা চলছে
তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শুরু হয়েছে। শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি আনতে সভাটি দ্রুততম সময়ে আহ্বান করা হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সভাকক্ষে বৈঠকটি শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা জজ শেখ আশফাকুর রহমান।
বোর্ডের শিল্প শাখার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শ্রম আইন অনুযায়ী তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিক ও কর্মচারীদের নিম্নতম মজুরির হার সুপারিশের লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
‘বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন মালিকপক্ষের প্রতিনিধি আসিফ আইয়ুব, শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন, গার্মেন্টস শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাবুল আখতার, মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এবিএম সামসুদ্দিন এবং নিরপেক্ষ সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড.’
— জি বাংলা ডেস্ক
বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন মালিকপক্ষের প্রতিনিধি আসিফ আইয়ুব, শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন, গার্মেন্টস শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাবুল আখতার, মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এবিএম সামসুদ্দিন এবং নিরপেক্ষ সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
আরও পড়ুন
প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
এর আগে, গত রোববার শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন। একই দিন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে।
মূল বিষয়গুলি
- তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শুরু হয়েছে।
- বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সভাকক্ষে বৈঠকটি শুরু হয়।
- বোর্ডের শিল্প শাখার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শ্রম আইন অনুযায়ী তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিক ও কর্মচারীদের নিম্নতম মজুরির হার সুপারিশের লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হচ্…
- বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন মালিকপক্ষের প্রতিনিধি আসিফ আইয়ুব, শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন, গার্মেন্টস শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাবুল আখতার, মালিকপক্ষের প্…






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।