তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সরাসরি সাক্ষাতের প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো এক চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ প্রত্যাশার কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের বরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা বাসস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
‘মার্কিন প্রেসিডেন্টের পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভবিষ্যতে সরাসরি সাক্ষাতের আগ্রহের কথাও উঠে এসেছে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
চিঠিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেলেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের সামনে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।
আরও পড়ুন
ডি-৮ বাণিজ্যের বাধা কাটাতে এফটিএ-পিটিএ বাস্তবায়নের তাগিদ বাংলাদেশের
বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার কথাও চিঠিতে উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
মূল বিষয়গুলি
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সরাসরি সাক্ষাতের প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো এক চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ প্রত্যাশার কথা জানান।
- প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের বরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা বাসস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
- চিঠিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেলেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের সামনে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে বলে তিনি দৃঢ়ভ…
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প।
চিঠিতে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত মনোযোগ ও সহযোগিতার কথাও তিনি সবসময় মনে রাখবেন বলে উল্লেখ করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভবিষ্যতে সরাসরি সাক্ষাতের আগ্রহের কথাও উঠে এসেছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।