সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন তাদের পরিবারের সদস্যরা। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ট্রাইব্যুনালে এ আবেদন করা হয়।
এর আগে গত ২৭ আগস্ট সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯তমবারের মতো পিছিয়ে যায়। নতুন করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
যেভাবে হত্যা করা হয়
‘টাস্কফোর্সের হাতে তদন্ত দীর্ঘদিনেও তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট র্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন।’
— জি বাংলা ডেস্ক
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের তৎকালীন বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি।
আরও পড়ুন
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার
পরদিন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলানগর থানায় হত্যা মামলা করেন।
মূল বিষয়গুলি
- সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন তাদের পরিবারের সদস্যরা।
- এর আগে গত ২৭ আগস্ট সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯তমবারের মতো পিছিয়ে যায়।
- ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের তৎকালীন বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক …
- পরদিন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলানগর থানায় হত্যা মামলা করেন।
প্রথমে শেরেবাংলানগর থানা পুলিশ মামলাটির তদন্ত শুরু করে। পরে তদন্তভার দেওয়া হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। দুই মাসেও মামলার রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) কাছে দেওয়া হয়।
টাস্কফোর্সের হাতে তদন্ত
দীর্ঘদিনেও তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট র্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন।
পরে চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। বর্তমানে এই টাস্কফোর্সই মামলাটির তদন্ত করছে।
তবে নির্ধারিত সময়ে তদন্ত শেষ না হওয়ায় কয়েক দফায় সময় বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৬ এপ্রিল হাইকোর্ট তদন্ত শেষ করতে আরও ছয় মাস সময় দেন।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।