রাশিয়ার কুরস্ক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা
রাশিয়ার কুরস্ক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি কুলিং টাওয়ারে ড্রোন আঘাত হেনেছে। তবে এতে কোনো আগুন লাগেনি এবং কেন্দ্রটির কার্যক্রমেও কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আইএইএ জানায়, রুশ কর্তৃপক্ষ তাদের জানিয়েছে—বৃহস্পতিবার ভোরে কুরস্ক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি রিঅ্যাক্টর ইউনিটের কুলিং টাওয়ারে একটি ড্রোন আঘাত হানে।
আইএইএ জানায়, ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট রিঅ্যাক্টর ইউনিটটি চালু ছিল। তবে ড্রোন আঘাতের পরও ইউনিটটির কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কোথাও আগুন লাগার ঘটনাও ঘটেনি।
‘শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আইএইএ জানায়, রুশ কর্তৃপক্ষ তাদের জানিয়েছে—বৃহস্পতিবার ভোরে কুরস্ক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি রিঅ্যাক্টর ইউনিটের কুলিং টাওয়ারে একটি ড্রোন আঘাত হানে।’
— আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তের কাছে অবস্থিত কুরস্ক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কুরস্ক শহরের পশ্চিমে অবস্থিত। কেন্দ্রটির আশপাশে সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি নিয়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই সতর্ক করে আসছে আইএইএ।
আরও পড়ুন
এনডিটিভির সাংবাদিক থেকে ওমর আব্দুল্লার স্ত্রী, কে এই নিধি?
সংস্থাটি বলেছে, পারমাণবিক স্থাপনায় যেকোনো ধরনের হামলা গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের হামলা যেখানেই ঘটুক, তা পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
মূল বিষয়গুলি
- রাশিয়ার কুরস্ক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি কুলিং টাওয়ারে ড্রোন আঘাত হেনেছে।
- শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আইএইএ জানায়, রুশ কর্তৃপক্ষ তাদের জানিয়েছে—বৃহস্পতিবার ভোরে কুরস্ক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে…
- আইএইএ জানায়, ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট রিঅ্যাক্টর ইউনিটটি চালু ছিল।
- রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তের কাছে অবস্থিত কুরস্ক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কুরস্ক শহরের পশ্চিমে অবস্থিত।
আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি আবারও সর্বোচ্চ সামরিক সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে কোনো পারমাণবিক দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি না হয়।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।