কমলাপুর স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের বগিতে আগুন
রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আগুনে বগিটির কিছু অংশ পুড়ে গেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনটিতে আগুন লাগে। ট্রেনটি রাত ১০টা ১৫ মিনিটে মোহনগঞ্জের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের একটি বগিতে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। এতে স্টেশনে থাকা যাত্রী ও আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
‘এর আগে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।’
— জি বাংলা ডেস্ক
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি নাশকতা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে আগুন লাগার সময় ট্রেনটিতে কোনো যাত্রী ছিল না।
আরও পড়ুন
ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, আহত ৫
এর আগে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছিল পুলিশ।
মূল বিষয়গুলি
- রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।
- রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনটিতে আগুন লাগে।
- প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের একটি বগিতে হঠাৎ আগুন ধরে যায়।
- রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।