অপ্রতিমের বাবার দোকানে ১০ দিন আগে বিনা বেতনে কাজ নিয়েছিলেন ফাহাদ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যার ঘটনায় আটক মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৬) হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ দিন আগে অপ্রতিমের বাবার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশের দোকানে বিনা বেতনে কাজ নিয়েছিলেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আব্দুল কাইয়ুম চত্বরে শিক্ষক সমিতির আয়োজিত মানববন্ধনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার শীলা।
জানা গেছে, অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশের ব্যবসা করেন। ওই দোকানেই হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ দিন আগে ফাহাদ বিনা বেতনে কাজ শুরু করেছিলেন।
‘নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যার ঘটনায় আটক মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৬) হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ দিন আগে অপ্রতিমের বাবার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশের দোকানে বিনা বেতনে কাজ নিয়েছিলেন।’
— Admin
ফাহাদ কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার সালমানপুর (মেম্বার বাড়ি) এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা মমিন হোসেন ও মা জুলি আক্তার। তিনি সদর দক্ষিণ মডেল থানার আওতাধীন এলাকার বাসিন্দা।
আরও পড়ুন
৩৫ বছর পর পিরোজপুর জেলায় জামায়াতের নতুন আমির
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের তদন্তের অংশ হিসেবে ফাহাদকে পুলিশ আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তবে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কী অভিযোগ রয়েছে এবং অপ্রতিমের বাবার দোকানে কাজ নেওয়ার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র আছে কি না, সে বিষয়ে এখনো তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
মূল বিষয়গুলি
- কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.
- সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আব্দুল কাইয়ুম চত্বরে শিক্ষক সমিতির আয়োজিত মানববন্ধনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভ…
- জানা গেছে, অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশের ব্যবসা করেন।
- ফাহাদ কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার সালমানপুর (মেম্বার বাড়ি) এলাকার বাসিন্দা।
তদন্তে ফাহাদের দোকানে কাজ নেওয়া, অপ্রতিমের পরিবারের সঙ্গে তার পরিচয় এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এসব বিষয়ের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট হওয়ার কথা রয়েছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।