মৌসুমি সর্দি-কাশি এড়াতে যে সহজ অভ্যাসের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন মৌসুমি অসুস্থতার প্রকোপ বাড়তে পারে। এসব সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সহজ একটি অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে—নিয়মিত হাত ধোয়া।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণসহ বিভিন্ন রোগের জীবাণুর সংস্পর্শ কমাতে হাত পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।
যেভাবে ছড়ায় জীবাণু
‘যেমন— খাবার খাওয়ার আগে ও পরে; টয়লেট ব্যবহারের পর; কাশি বা হাঁচি দেওয়ার পর; কাঁচা মাংস বা শাকসবজি ধরার পর; ময়লা-আবর্জনা স্পর্শ করার পর; কর্মস্থল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানোর পর।’
— জি বাংলা ডেস্ক
অসুস্থ ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দিলে জীবাণু আশপাশের বিভিন্ন পৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়তে পারে। মোবাইল ফোন, কম্পিউটারের কিবোর্ড, ডেস্কসহ নিয়মিত স্পর্শ করা বিভিন্ন জিনিসে জীবাণু থাকতে পারে।
আরও পড়ুন
ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু
এ ছাড়া কাশি বা হাঁচির সময় মুখ-নাক ঢাকার পর হাত না ধুয়ে বিভিন্ন বস্তু স্পর্শ করলেও জীবাণু ছড়াতে পারে। পরে অন্য কেউ সেই দূষিত বস্তু স্পর্শ করে নিজের নাক, মুখ বা চোখে হাত দিলে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হয়।
মূল বিষয়গুলি
- ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন মৌসুমি অসুস্থতার প্রকোপ বাড়তে পারে।
- স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণসহ বিভিন্ন রোগের জীবাণুর সংস্পর্শ কমাতে হাত পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।
- অসুস্থ ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দিলে জীবাণু আশপাশের বিভিন্ন পৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
- এ ছাড়া কাশি বা হাঁচির সময় মুখ-নাক ঢাকার পর হাত না ধুয়ে বিভিন্ন বস্তু স্পর্শ করলেও জীবাণু ছড়াতে পারে।
হাত ধোয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ
নিয়মিত হাত ধোয়া হাতে থাকা জীবাণু দূর করতে সাহায্য করে। ফলে হাত থেকে নাক, মুখ বা চোখের মাধ্যমে শরীরে জীবাণু প্রবেশের সম্ভাবনা কমে।
গবেষণায় নিয়মিত হাত ধোয়ার সঙ্গে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি কমার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। একটি গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের দিনে অন্তত পাঁচবার হাত ধোয়ার পরামর্শ দিয়ে দুই বছর পর্যবেক্ষণ করা হয়। এতে নিয়মিত হাত ধোয়া ব্যক্তিদের শ্বাসতন্ত্রের অসুস্থতার হার তুলনামূলকভাবে ৪৫ শতাংশ কম দেখা যায়।
তবে হাত ধোয়া সংক্রমণ প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলেও এটি শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত করে না। অসুস্থতা এড়াতে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলা প্রয়োজন।
সঠিকভাবে হাত ধোয়ার নিয়ম
কার্যকরভাবে হাত পরিষ্কার করতে কয়েকটি বিষয় মেনে চলা উচিত—
পরিষ্কার পানি দিয়ে হাত ভিজিয়ে নিতে হবে।
সাবান দিয়ে ভালোভাবে ফেনা তৈরি করতে হবে।
আঙুলের ফাঁক, নখের নিচ, হাতের তালু ও পিঠ এবং কবজিসহ সব অংশ অন্তত ২০ সেকেন্ড ঘষে পরিষ্কার করতে হবে।
পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।
এরপর পরিষ্কারভাবে হাত শুকিয়ে নিতে হবে।
কখন হাত ধোয়া উচিত?
প্রতিদিন কতবার হাত ধুতে হবে, তার নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নেই। তবে জীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি বেশি এমন সময়ে অবশ্যই হাত পরিষ্কার করা উচিত। যেমন—
খাবার খাওয়ার আগে ও পরে;
টয়লেট ব্যবহারের পর;
কাশি বা হাঁচি দেওয়ার পর;
কাঁচা মাংস বা শাকসবজি ধরার পর;
ময়লা-আবর্জনা স্পর্শ করার পর;
কর্মস্থল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানোর পর।
দৈনন্দিন জীবনে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে মৌসুমি সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।