পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করলেই বের হবে বাসে ককটেল মারছে কারা: রাশেদ খান
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসে আগুন ও ককটেল হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, তা বেরিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোট ও আওয়ামী লীগ—এই দুই বিরোধী পক্ষকে সামলে বিএনপিকে সরকার পরিচালনা করতে হচ্ছে। তার ভাষ্য, সরকার বর্তমানে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।
রাশেদ খান অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ, জামায়াত ও এনসিপি দেশকে অস্থিতিশীল করতে বাস ও ট্রেনে আগুন দেওয়া এবং ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত। এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।
‘জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসে আগুন ও ককটেল হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, তা বেরিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।’
— জি বাংলা ডেস্ক
তিনি বলেন, এনসিপির এক নেতা আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের বিরুদ্ধে আগুন-সন্ত্রাসের পথ বেছে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন। একই দলের এক নেতার বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান প্রশ্ন তোলেন, ১১ দলের দাবি মেনে নিলে ককটেল বিস্ফোরণ বন্ধ হবে—এমন বক্তব্যের অর্থ কী।
আরও পড়ুন
দেশে কি আদৌ কোনো সরকার আছে, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের
রাশেদ খান আরও বলেন, যারা নির্বাচিত সরকারকে ব্যর্থ করতে চায়, তারা অপরাধ করছে কি না—এ প্রশ্নও বিবেচনা করা উচিত।
মূল বিষয়গুলি
- জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসে আগুন ও ককটেল হামলার সঙ্গে কারা জড়িত…
- মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোট ও আওয়ামী লীগ—এই দুই বিরোধী পক্ষকে সামলে বিএনপিকে সরকার পরিচালনা করতে হচ্ছে।
- রাশেদ খান অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ, জামায়াত ও এনসিপি দেশকে অস্থিতিশীল করতে বাস ও ট্রেনে আগুন দেওয়া এবং ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত।
- তিনি বলেন, এনসিপির এক নেতা আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের বিরুদ্ধে আগুন-সন্ত্রাসের পথ বেছে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন।
জুলাইয়ের সময় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। সাত মাসের সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চ কর্মসূচিকেও স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মসূচি নয় বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তাঁর অভিযোগ, লংমার্চের নামে অনেকে ছবি ও ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছেন।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে রাশেদ খান বলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট চলছে। সরকার ভর্তুকি দিয়ে জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট থাকবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রাশেদ খান আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগকে আবার রাজনীতিতে ফেরাতে অনেকে সক্রিয় রয়েছে। আদানি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ‘অপতৎপরতা’ ও ‘অসৌজন্যতায়’ জড়িয়েছে বলেও অভিযোগ করেন রাশেদ খান। তাঁর দাবি, বিদেশের মাটিতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।