৩ জেলায় ভোক্তা-অধিকারের অভিযান, ৭ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি, অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য ও খাদ্য উৎপাদন এবং পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করার অপরাধে খুলনা বিভাগের তিন জেলায় সাতটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) খুলনা, যশোর ও মাগুরায় অধিদপ্তরের চারটি দল পৃথক তদারকি অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা আদায় করে।
অভিযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, চাল, ভোজ্যতেল, গ্যাস, ওষুধ, ডায়াগনস্টিক সেবা, আলু, দেশি পেঁয়াজ, সবজি, মুরগি ও ডিমের বাজারদর এবং ক্রয়-বিক্রয় ভাউচার যাচাই করা হয়। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সরকার নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়।
‘সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি, অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য ও খাদ্য উৎপাদন এবং পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করার অপরাধে খুলনা বিভাগের তিন জেলায় সাতটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।’
— জি বাংলা ডেস্ক
খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে মহানগরীর খালিশপুর থানার বিআইডিসি রোড এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় মেসার্স এসকেআর ড্রিংকিং ওয়াটারকে অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদনের দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আরও পড়ুন
নবাগত রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে ফুলের শুভেচ্ছা জানালেন আরএমপি কমিশনার
খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওয়ালিদ বিন হাবিবের নেতৃত্বে সোনাডাঙ্গা, খালিশপুর ও দৌলতপুর থানার শিববাড়ি, শরীফ আমজাদ সড়ক ও সেন্ট্রাল নর্থ ব্লক বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ফিজা ড্রিংকিং ওয়াটারকে অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদনের দায়ে ৫ হাজার টাকা, মেসার্স শাহানারা এন্টারপ্রাইজকে ২ হাজার টাকা এবং মেসার্স আনোয়ার এন্টারপ্রাইজকে পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মূল বিষয়গুলি
- সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি, অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য ও খাদ্য উৎপাদন এবং পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করার অপরাধে খুলনা বিভাগের তিন জেলায়…
- বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) খুলনা, যশোর ও মাগুরায় অধিদপ্তরের চারটি দল পৃথক তদারকি অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা আদায় করে।
- অভিযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, চাল, ভোজ্যতেল, গ্যাস, ওষুধ, ডায়াগনস্টিক সেবা, আলু, দেশি পেঁয়াজ, সবজি, মুরগি ও ডিমের বাজারদর এবং ক্রয়-বিক্রয় ভাউচার যাচাই করা হয়।
- খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে মহানগরীর খালিশপুর থানার বিআইডিসি রোড এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামানের নেতৃত্বে সদর উপজেলার পালবাড়ি মোড় বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় হাবিবি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে অবৈধ প্রক্রিয়ায় খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনের দায়ে ২ হাজার টাকা এবং ভাই বোন হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে পণ্যের মোড়ক যথাযথভাবে ব্যবহার না করায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মাগুরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সজল আহমেদের নেতৃত্বে শ্রীপুর উপজেলার নাকোল বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে মেসার্স মা ট্রেডার্সকে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি এবং যথাযথ পণ্য সরবরাহ না করার দায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অধিদপ্তর জানায়, চারটি পৃথক অভিযানে মোট সাতটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীদের সচেতন করার পাশাপাশি দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ এবং নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।