সাগরের ‘সাদা সোনা’, কেজি লাখ টাকা
সারি সারি ঝুলিয়ে রাখা মাছের পটকা দেখে সাধারণ শুঁটকি বা প্লাস্টিকের আবরণ মনে হতে পারে। তবে এগুলো আসলে বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছের পেট থেকে সংগ্রহ করা বায়ুথলি, যা রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। উপকূলীয় এলাকায় এ পণ্যটি ‘সাদা সোনা’ নামে পরিচিত এবং এর আন্তর্জাতিক বাজারে রয়েছে উল্লেখযোগ্য চাহিদা।
সামুদ্রিক ভোল, পোয়া, লাক্কা ও কামিলা মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের বায়ুথলি সংগ্রহ করে পরিষ্কার করার পর রোদে শুকিয়ে প্রস্তুত করা হয় পটকা। মাছের ধরন, আকার, গুণমান ও শুকানোর প্রক্রিয়ার ওপর এর বাজারমূল্য নির্ভর করে।
চীন, হংকংসহ পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মাছের পটকার চাহিদা রয়েছে। সেখানে এটি বিভিন্ন ধরনের সি-ফুড ও স্যুপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। কোলাজেন ও প্রোটিনের উপস্থিতির কারণে প্রসাধনী ও ঐতিহ্যবাহী কিছু ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এর চাহিদা রয়েছে।
‘সামুদ্রিক ভোল, পোয়া, লাক্কা ও কামিলা মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের বায়ুথলি সংগ্রহ করে পরিষ্কার করার পর রোদে শুকিয়ে প্রস্তুত করা হয় পটকা।’
— জি বাংলা ডেস্ক
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় বায়ুথলি আলাদা করে সংগ্রহ করা হয়। পরে সেগুলো পরিষ্কার করে শুকিয়ে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়। মান ও আকারভেদে দেশের বাজারে প্রতি কেজি মাছের পটকার দাম কয়েক হাজার টাকা থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
আরও পড়ুন
বাসের ধাক্কায় শিক্ষার্থী নিহত, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেললাইন অবরোধ
মৎস্যজীবীদের জন্য মাছের পটকা বাড়তি আয়ের একটি উৎস। মাছের মূল অংশ বিক্রির পাশাপাশি বায়ুথলি আলাদাভাবে সংরক্ষণ ও বিক্রি করায় একই মাছ থেকে অতিরিক্ত মূল্য পাওয়া যায়।
মূল বিষয়গুলি
- সারি সারি ঝুলিয়ে রাখা মাছের পটকা দেখে সাধারণ শুঁটকি বা প্লাস্টিকের আবরণ মনে হতে পারে।
- সামুদ্রিক ভোল, পোয়া, লাক্কা ও কামিলা মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের বায়ুথলি সংগ্রহ করে পরিষ্কার করার পর রোদে শুকিয়ে প্রস্তুত করা হয় পটকা।
- চীন, হংকংসহ পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মাছের পটকার চাহিদা রয়েছে।
- বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় বায়ুথলি আলাদা করে সংগ্রহ করা হয়।
আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা থাকায় মাছের পটকা বাংলাদেশের সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের একটি মূল্যবান উপজাত হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চলে এর সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাণিজ্য স্থানীয় অর্থনীতিতে বাড়তি ভূমিকা রাখছে।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।