বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু
জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারীকে বহনকারী সরকারি গাড়ির ধাক্কায় বগুড়ার শিবগঞ্জে আহত ফিরোজা বেগম (৬০) মারা গেছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ফিরোজা বেগম শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী।
‘স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী ঢাকা থেকে সরকারি সফরে তার সংসদীয় নির্বাচনী এলাকা জয়পুরহাট-২-এর উদ্দেশে যাচ্ছিলেন।’
— জি বাংলা ডেস্ক
শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কের শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন
বাসের ধাক্কায় শিক্ষার্থী নিহত, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেললাইন অবরোধ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী ঢাকা থেকে সরকারি সফরে তার সংসদীয় নির্বাচনী এলাকা জয়পুরহাট-২-এর উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথে গোপীনাথপুর এলাকায় ফিরোজা বেগম সড়কের এক পাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
মূল বিষয়গুলি
- জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারীকে বহনকারী সরকারি গাড়ির ধাক্কায় বগুড়ার শিবগঞ্জে আহত ফিরোজা বেগম (৬০) মারা গেছেন।
- শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
- নিহত ফিরোজা বেগম শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী।
- শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কের শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এ সময় তিনি প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির সামনে চলে আসেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারালে সেটি সড়কের পাশের ধানখেতে নেমে যায়।
দুর্ঘটনায় ফিরোজা বেগম গুরুতর আহত হন। এ ছাড়া গাড়িতে থাকা প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী ও তার স্ত্রী নাজমা আরা বেগমও আহত হন।
দুর্ঘটনার পর প্রতিমন্ত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তিনি নিজ বাড়িতে ফিরে যান।
এদিকে গুরুতর আহত ফিরোজা বেগমকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।






মন্তব্য (৩)
ভারতের প্রত্যাশাই যথাযত, কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব আমাদের নিজেদেরই।
দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ করতে সরকার, প্রশাসন ও সবাইকে একসাথে কাজ করা উচিত। প্রত্যেকের নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি বক্তব্য তালকাঠিতে নেওয়া দরকার। ন্যায্য প্রতিবেদনই রাষ্ট্রের চিত্র সবার কাছে উজ্জ্বল করে।